ওয়াশিংটন: কেউ বা পেশার তাগিদে আবার কেউ গিয়েছিলেন অন্য কোনও কাজে। মার্কিন মুলুকে গিয়ে করোনার বলি হয়েছেন ১১ জন ভারতীয়। আক্রান্ত আরও ১৬ জন। মার্কিন মুলুকে মোট সংখ্যার বিচারে এখন পর্যন্ত ১৪,০০০ এর বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে। করোনার আক্রান্ত মানুষের সংখ্যা ৪ লাখেরও বেশি।

যে ভারতীয়দের মৃত্যু হয়েছে তাঁরা প্রত্যেকেই পুরুষ বলে জানা গিয়েছে। অন্যদিকে এই ১১ জনের মধ্যে ১০ জন নিউ ইয়র্ক সিটি ও নিউ জার্সিতে থাকত। মৃতদের মধ্যে ৪ জন ছিলেন নিউ ইয়র্কের ট্যাক্সি ড্রাইভার।

আমেরিকায় করোনার মূলকেন্দ্রে পরিণত হয়েছে নিউইয়র্ক। এ রাজ্যে এখন পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা ৬ হাজারেরও বেশি, আক্রান্ত প্রায় ১ লক্ষ ৩৮ হাজার।

নিউ জার্সিতে অবস্থা তুলনামূলক ভালো। সেখানে এখন পর্যন্ত ১৫০০ মানুষের মৃত্যু হয়েছে। আক্রান্তের সংখ্যা ৪৮ হাজার।

অন্য যে ১৬ জন ভারতীয়র করোনা ধরা পড়েছে, তাঁদের মধ্যে ৪ জন মহিলা, এরা প্রত্যেকে নিজেদের বাড়িতেই কোয়ারেন্টাইনে রয়েছেন। ১৬ জন আক্রান্তরা ভারতের উত্তরাখন্ড, মহারাষ্ট্র, কর্ণাটক ও উত্তর প্রদেশ থেকে মার্কিন মুলুকে গিয়েছিল।

অন্যদিকে রাতারাতি আমেরিকাকে ওষুধ পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভারত। ফলে ট্রাম্পও দরাজ গলায় মোদীর প্রশংসা করছেন। কিন্তু তার দুদিন আগেই তিনি ভারতের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলেছিলেন।

যে হাইড্রক্সিক্লোরোকুইন কসিকলোর নামে ওষুধ নিয়ে এত মাথা ব্যাথা। সেই ম্যালেরিয়ার ওই ওষুধের ২৯ মিলিয়ন ডোজ ইতিমধ্যেই রওনা হয়েছে আমেরিকার উদ্দেশ্যে। গুজরাত থেকে জাহাজে করে পাঠানো হচ্ছে সেই ওষুধ।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.