পাটনা: সোমবার সামনে এসেছে বিহার বোর্ডের দশম শ্রেণির ফলাফল। আর সেখানে মেধার জোরে নজির গড়ল ঋষভ রাজ রাজু নামের এক ছাত্র। তাঁর মা এক আশা কর্মী ও বাবা পঞ্চায়েতের একজন সদস্য। রেজাল্টে দেখা যাচ্ছে প্রথম ১০ এ নাম রয়েছে ঋষভ রাজ রাজু’র। সে দশম স্থান অর্জন করেছে।

তবে তাঁর এই সাফল্য হঠাৎ করে আসেনি। এর পিছনে রয়েছে কঠোর পরিশ্রম। মাধ্যমিকে সে পেয়েছে ৯৫ শতাংশ নম্বর। মোট তাঁর প্রাপ্ত নম্বর হল ৪৭৫। ঋষভ রাজ রাজু পরিবারের সবচেয়ে ছোট ছেলে। যে স্কুলে সে পড়ে সেটির দূরত্ব বাড়ি থেকে প্রায় ২০ কিমি, ঋষভ রাজ প্রতিদিন সাইকেলে করে এই দূরত্ব অতিক্রম করে স্কুলে পৌঁছাত।

ঋষভ জানাচ্ছে, সে এরপর UPSC নিয়ে পড়াশোনা করে IAS হয়ে দেশের সেবা করতে চায়, তবে এরজন্য সরকারের কাছে সাহায্যর আবেদন করেছে সে। ঋষভের বাবা-মা’ও ছেলের এই সাফল্যে দারুণ খুশি।

ঋষভ একটি সংবাদমাধ্যমকে সাক্ষাৎকারে জানিয়েছে, সে প্রতিদিন ২০ কিমি সাইকেল চালিয়ে স্কুলে যেত, যখন সাইকেল খারাপ হয়ে যেত সেইদিন আর স্কুলে যাওয়া হত না তাঁর। একই সঙ্গে মা-বাবার কষ্টের কথাও স্বীকার করে ঋষভ জানিয়েছে, “আমার বাবা-মা আমাকে অনেক কষ্ট করে পড়াশোনা করিয়েছে। শত অসুবিধা হলেও আমার পড়া তাঁরা বন্ধ হতে দেননি।”

অন্য পড়ুয়াদের উদ্দেশ্যে ঋষভ জানিয়েছে, এমন পরিস্থিতিতে থেকেও যদি আমি এই জায়গা পেতে পারি তবে আমার মতো অন্য ছাত্ররাও নিষ্ঠার সঙ্গে পড়াশোনা করে এগিয়ে যেতে পারে, আমাদের কোনও অবস্থাতেই হাল ছেড়ে দেওয়া উচিত নয়। পাশাপাশি সে জানাচ্ছে ,”আমি সরকারের কাছে অনুরোধ করছি আমাকে কিছুটা সহায়তা দিতে, যাতে আমি আমার পড়াশোনা আরও চালিয়ে যেতে পারি।”

ঋষভের বাবা জানিয়েছেন, “আমাদের মতো কম আয়ের পরিবারে বড় হয়েও অসাধ্য সাধন করেছে আমার ছেলে। ও অত্যন্ত পরিশ্রমী। আর তাই সে দশম স্থান অর্জন করতে পেরেছে।” অন্যদিকে ঋষভের মা জানাচ্ছেন, ঋষভ বাড়ির নানা কাজেও তাঁকে সাহায্য করে। তিনি ছেলের সাফল্যে দারুণ খুশি।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।