ফাইল ছবি

জয়পুর: নক্ক্যারজনক ঘটনার সাক্ষী এবার রাজস্থানের ভরতপুর। দশম শ্রেণির এক ছাত্রীকে ছুরির ভয় দেখিয়ে ধর্ষণ করল এক যুবক। জানা গিয়েছে, ঘটনার সময় মেয়েটি একা ছিল। পরিবারের অন্য সদস্যরা একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে গিয়েছিলেন। এই সুযোগে অভিযুক্ত তার তিন বন্ধুকে সঙ্গে নিয়ে এসে ধর্ষণ করে দশম শ্রেণির ছাত্রীকে।

জানা গিয়েছে, মেয়েটির গলায় ছুরি ধরে তাঁকে ধর্ষণ করে অভিযুক্ত। এসময় অভিযুক্তের তিন বন্ধু বাড়ির বাইরে নজরদারি চালাচ্ছিল। তবে অভিযুক্ত পালানোর সঙ্গে সঙ্গেই মেয়েটি চিৎকার শুরু করলে প্রতিবেশীরা ছুটে আসে। তাঁরাই পুলিশে খবর দেয়। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।

জানা গিয়েছে, অভিযুক্তের নাম মণীশ ধকড়। একটা ছুরি হাতে সে ওই ছাত্রীর বাড়ি প্রবেশ করে এবং তাকে ধর্ষণ করে। পরে অভিযুক্তরা চলে গেলে প্রতিবেশীরা মেয়েটির কান্না শুনে এগিয়ে আসে।

নির্যাতিতার প্রতিবেশীরা অভিযুক্তকে ধরতে গেলে সে ছাদ থেকে লাফিয়ে রাস্তায় নামে। সেখানে আগে থেকেই হাজির ছিল তাঁর তিন বন্ধু। বাইক নিয়ে চম্পট দেয় তাঁরা।

প্রতিবেশীদের দাবি, ছাদ থেকে লাফ দেওয়ার সময় অভিযুক্তের পায়েও আঘাত লাগে। অন্যদিকে নির্যাতিতার বাবা গোটা ঘটনার কথা জানতে পেরে গভীর রাতে বিয়ের অনুষ্ঠান থেকে বাড়ি ফিরে আসেন। খবর পেয়ে পুলিশও ঘটনাস্থলে পৌঁছয়। নির্যাতিতার বক্তব্যের ভিত্তিতে পুলিশ অভিযুক্তের বিরুদ্ধে এফআইআর নথিভুক্ত করেছে।

বয়না থানার ইনচার্জ মদন লাল মীনা জানান, নির্যাতিতা ছাত্রীর বক্তব্যের ভিত্তিতে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। শীঘ্রই অভিযুক্ত ও তার সহযোগীদের গ্রেফতার করা হবে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।