প্রদ্যুত দাস, জলপাইগুড়ি : এখানে ধর্মের নামে সেই উন্মত্ততা নেই৷ নেই গরুকে নিজেদের মা বলে দাবি করার বাড়াবাড়ি রকমের আবেগ৷ শুধু রয়েছে প্রাচীন এক ঐতিহ্যকে বয়ে নিয়ে চলার প্রতিশ্রুতি৷ তাই হয়ত জলপাইগুড়ির এই প্রাচীন গোশালা মেলা সর্ব ধর্ম সমন্বয়ের নজির গড়ে৷

শুক্রবার সকাল থেকেই সাধারণ মানুষের জন্য নিজের দরজা খুলেছে জলপাইগুড়ি গোশালা মেলা৷ এই বছর মেলা ১০৭ বছরে পা দিল৷ মেলা কমিটির তরফে অনিল কুমার ভার্মা বলেন, ‘আমাদের এই প্রাচীন ঐতিহ্যমন্ডিত গোশালা মেলায় গরুকে পুজো দেওয়ার রীতি রয়েছে। এই পুজো দিতে ভক্তদের ভিড় উপচে পড়ে বলে জানান তিনি৷’

গো-পুজো৷ গত ১০৭ বছর ধরে চলে আসছে এই মেলায়৷ তবে এখানেই শেষ নয়৷ থাকে আরও চমক৷ এই মেলায় বসে কুস্তির আসর৷ তাকে ঘিরেও উৎসাহী মানুষের ভিড় লেগেই থাকে৷

মেলাকে ঘিরে জলপাইগুড়ি শহরের মারোয়ারি সম্প্রদায়ের মানুষেরা তাদের ব্যবসা বন্ধ রাখেন। এই প্রাচীন মেলা মানুষের মিলন মেলা হিসেবে পরিচিত।

সপ্তম পর্বের দশভূজা লুভা নাহিদ চৌধুরী।