লখনউ: একইদিনে বজ্রপাতে মৃত্যু হল শতাধিক মানুষের। ভারতের দুই রাজ্যে মোট মৃতের সংখ্যা মোট ১০৭।

বৃহস্পতিবারের ঝড়-বৃষ্টি চলাকালীন এই মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। শুধুমাত্র বিহারেই মৃত্যু হয়েছে ৮৩ জনের। পরে জানা গিয়েছে এদিনই উত্তরপ্রদেশে ২৪ জনের মৃ্ত্যু হয়েছে।

দুই রাজ্যেই মৃতদের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার কথা ঘোষণা করা হয়েছে। বিহারে মুখ্যমন্ত্রী নীতিশ কুমার ৪ লক্ষ টাকা করে ও উত্তরপ্রদেশে যোগী আদিত্যনাথও ৪ লক্ষ টাকা করে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছেন।

শুধুমাত্র এক দিনে বজ্রপাতে মৃত্যু হল ৮৩ জনের। বিহারের সরকার এই সংখ্যা প্রকাশ করেছে। ইতিমধ্যেই মৃতদের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছেন মুখ্যনন্ত্রী নীতিশ কুমার।

বৃহস্পতিবারই এই ঘটনা ঘটেছে। খারাব আবহাওয়ার সতর্কবার্তা ছিল আগে থেকেই। তবে তার চেহারা যে এতটা ভয়ঙ্কর হবে, তা ভাবা যায়নি। একাধিক জেলায় মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে।

এদিন সংবাদসংস্থা মৃত্যুর খবর প্রকাশ করলেও সংখ্যঅটা জানা যায়নি। এদিন সন্ধেয় বিহার সরকাররে তরফ থেকে এই সংখ্যা প্রকাশ করা হয়েছে।

জানা গিয়েছে বিহারের গোপালগঞ্জে মৃত্যু হয়েছে ১৩ জনের। মধুবনী ও নাওয়াদায় ৯ জন করে মারা গিয়েছে। ভাগলপুরে ৬ জন ও সিওয়ানে ৬ জন, দ্বারভাঙা, বাংকা, ইস্ট চম্পারণে পাঁচজন করে ও খাগাড়িয়া এবং ঔরঙ্গাবাদে তিন জনের করে মৃত্যু হয়েছে।

এছাড়া ওয়েস্ট চম্পারণ, কৃষ্ণগঞ্জ, জামুই, জাহানবাদ, পূর্ণিয়া, সুপুল, বক্সার, কাইমুর প্রতিটি জেলায় ২ জনের করে মৃত্যু হয়েছে। সমস্তিপুর, শিবহার, সরন, সীতামারী ও মাধেপুরে এক জনের করে মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।