নয়াদিল্লি: ভারতে থাকা চিনা সংস্থা ও হাওলার লেনদেনের মাধ্যমে টাকা পাচারের ঘটনা আয়কর দফতরের নজরে এলো। আয়কর দপ্তর কয়েকটি তল্লাশি চালিয়ে দেখতে পেয়েছে চিনের কিছু লোকের সঙ্গে ভারতের কিছু লোক ঞ্জও সংস্থা জড়িয়ে রয়েছে হাওলা লেনদেন করে দেশের বাইরে অর্থপাচারে। ভুয়ো শেল কোম্পানির মাধ্যমে এমনটা করা হচ্ছে।

তল্লাশি চালানো হয় চিনা সংস্থার অফিস, তাদের সহযোগী এবং কিছু ব্যাংক কর্মীদের । যার ফলে নজরে আসে ভুয়ো নামে খোলা হয়েছিল ৪০টি ব্যাংক অ্যাকাউন্ট এবং সে গুলিকে কাজে লাগানো হয়েছে ১০০০ কোটি টাকার লেনদেনের জন্য। অর্থ মন্ত্রকের দেওয়া বিবৃতিতে এমনটাই জানা গিয়েছে।

এইভাবে জানা গিয়েছে, একটি চিনের অধীনস্থ সংস্থা এবং তার সহযোগী সংস্থা ভুয়ো শেল কোম্পানির কাছ থেকে ১০০ কোটি টাকা অগ্রিম নিয়েছিল ভারতে ব্যবসার জন্য রিটেল শোরুম খুলবে বলে। তাছাড়া তল্লাশি চালাতে গিয়ে হাওলা সংক্রান্ত লেনদেনের বিভিন্ন নথি থেকে জানা গিয়েছে এর সঙ্গে জড়িত রয়েছে ব্যাঙ্ক কর্মী এবং চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টরা।

এই তল্লাশি অভিযান এখনও চলছে , এই হাওলা লেনদেনে হংকং এবং মার্কিন ডলারের মতো বিদেশি মুদ্রা রয়েছে বলে প্রমাণ পাওয়া গিয়েছে। সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, গালওয়ান উপত্যকায় সংঘর্ষের পর নির্ভরযোগ্য সূত্রে থেকে পাওয়া কিছু তথ্যের ভিত্তিতে তল্লাশি অভিযান চালানো হয়। উপত্যকায় সংঘর্ষের পর দেশজুড়ে চিনা পণ্য ও পরিষেবা বয়কটের আওয়াজ ওঠে।

বেশ কিছু ব্যবসায়ী সংগঠন উৎসবের মরসুমে চিনা পণ্য বয়কটের ডাক দেয়। প্রসঙ্গত,ভারত ছাড়ো আন্দোলনের বর্ষপূর্তি উপলক্ষে কনফেডারেশন অফ অল ইন্ডিয়া ট্রেডার্স (সি এআইটি) ‘চিন ভারত ছাড়ো’ বিক্ষোভ কর্মসূচি নিয়েছিল।

এই কর্মসূচি পালনের মাধ্যমে ভারতে চিনা পণ্য বয়কটের জন্য প্রচার চালানো হয়। গোটা দেশের ৬০০টি স্থানে এই ব্যবসায়ী সংগঠনের সদস্যরা বিক্ষোভ প্রতিবাদ জানান। অন্যদিকে ফেডাঞ্জরেশন অফ ইন্ডিয়ান এক্সপোট অরগানাইজেশন জানিয়েছে, এভাবে রাতারাতি চিনা পণ্য বয়কট ভারতের স্বার্থের জন্য ভালো নয় বদলে অন্য কোনও কৌশল গ্রহণ করা উচিত।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

জীবে প্রেম কি আদৌ থাকছে? কথা বলবেন বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞ অর্ক সরকার I।