শ্রীনগর: শুক্রবারের সকালেই সাফল্যের মুখ দেখে নিরাপত্তা বাহিনী৷ পুলওয়ামায় চার সন্ত্রাসবাদীকে গুলিতে ঝাঁঝরা করে দেয় জওয়ানরা৷ সকলেই জইশ-ই-মহম্মদের সদস্য৷ এরই মধ্যে ভারতীয় সেনা সূত্রে জানা গেল গুরুত্বপূর্ণ তথ্য৷ চলতি বছরে এখনও অবধি নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে খতম হয়েছে শতাধিক জঙ্গি৷

সূত্র জানাচ্ছে, ২০১৯ সালে জম্মু ও কাশ্মীরে ১০৩ সন্ত্রাসবাদীকে নিকেশ করে নিরাপত্তা বাহিনী৷ শুক্রবারের এনকাউন্টারে নিহত চার জঙ্গির সংখ্যা যোগ করলে তা আরও বাড়বে৷ উল্লেখ্য, গতবছর কাশ্মীরে ২৫৪ জন জঙ্গিকে খতম করা হয়৷ মোদী সরকার শুরু থেকেই কাশ্মীরে আলোচনার চেয়ে জঙ্গি নিধনেই সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিয়েছিল৷ সেই নীতি দ্বিতীয় ইনিংসেও বজায় রাখতে চায় কেন্দ্রীয় সরকার৷

সম্প্রতি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক কাশ্মীরের ১০ জঙ্গির তালিকা প্রকাশ করে৷ কাশ্মীর পুলিশ, সিআরপিএফ ও আইবি’র দেওয়া তথ্য বিশ্লেষণ করে নতুন এই তালিকা তৈরি করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক৷ এই ১০ জনের মধ্যে ছ’জন হিজবুল মুজাহিদিনের, দু’জন জইশের, লস্কর ও আল বদরের একজন করে৷ উপত্যকায় কাজ করা এই জঙ্গিদের দ্রুত নিকেশ করতে চায় কেন্দ্র৷ তাই কাশ্মীরে জঙ্গি দমন অভিযান যেমন চলছে তেমনই চলবে বলে সেনাকে জানায় কেন্দ্রীয় সরকার৷

সন্ত্রাসবাদের পর সংঘর্ষবিরতি চুক্তি লঙ্খনও কাশ্মীরের পরিস্থিতি অশান্ত করে তোলার জন্য দায়ী৷ ৬ জুন পর্যন্ত পাকিস্তান ১১৭০ বার সংঘর্ষবিরতি লঙ্ঘন করেছে৷ গতবছর এই সময়কাল পর্যন্ত সংখ্যাটা ছিল ১৬২৯৷ অর্থাৎ এখনও অবধি সংখ্যাটা কম৷ কিছুদিন আগে কাশ্মীরের রাজ্যপাল সত্যপাল মালিকের সঙ্গে কাশ্মীরের পরিস্থিতি নিয়ে বৈঠক করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ৷ জঙ্গি দমনে জিরো টলারেন্স নীতি চালিয়ে যেতে বলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী৷