নয়াদিল্লি : মেঘালয় মিলল সওরোপোডের হাড়। এর আগে গুজরাট, মধ্য প্রদেশ, মহারাষ্ট্র এবং তামিলনাড়ুতেও বিশাল ওই ডায়নোসরের হাড়ের খোঁজ মিলেছিল। এই নিয়ে ভারতের পঞ্চম রাজ্য খোঁজ মিলল সওরোপোডের।

১০০ মিলিয়ন বছর আগে পৃথিবীর বুকে বাস করতো সওরোপোড। এটির গলা হত বিশাল লম্বা। মেঘালয়ের পশ্চিম খাসি পার্বত্য অঞ্চলে এই প্রজাতির ডাইনোসরের হাড় উদ্ধার হয়। উত্তর-পূর্বাঞ্চলের জিওলজিকাল সার্ভে অব ইন্ডিয়া একটি খোঁজ চালাচ্ছিল। তাদের প্যালিয়ন্টোলজি বিভাগের যে গবেষকরা রয়েছেন তারা এই কাজটি করছিল। তাদের নজরে আসে এই হার।

খননকার্যে যে সমস্ত জীবাশ্ম উদ্ধার হয়েছে সেগুলি ক্রিটাসিয়াস যুগের। এমনটাই মত বিশেষজ্ঞদের। হাড়ের টুকরোগুলি খুব সাবধানে সংগ্রহ করা হয়। গবেষকরা জানিয়েছেন, পঁচিশের বেশি ভাঙা ছিন্ন বিচ্ছিন্ন হাড়ের খোঁজ মেলে। সেই নমুনাগুলি পুনরুদ্ধার করা হয়। এদের আকার , আকৃতি বিভিন্ন ছিল। হারের নমুনার কয়েকটির মধ্যে পারস্পরিক মিল পাওয়া যায়।

সবথেকে বড় ছিল ৫৫ সেন্টিমিটার লম্বা একটি হাড়। এটি টাইটানোসরিডের হিউমারাস হাড়ের সঙ্গে তুলনা করা হচ্ছিল। ৪৫ সেন্টিমিটার দৈর্ঘ্যের অপূর্ণ একটি হাড়ের সঙ্গেও মিল খুঁজে পাওয়া যায় টাইটানোসরের। হাড়ের নমুনা থেকে জরায়ুর ভার্টিব্রাও পুনর্গঠন করা হয়।

জানা গিয়েছে ক্রিটাসিয়াস যুগে বসবাসকারী এই ধরণের ডাইনোসরগুলি বিশাল আকৃতির জন্য বেশিদিন পৃথিবীর বুকে স্থায়ী হয়নি। তবে তাদের একটি প্রজাতি যে ভারতে বাস করতো তার প্রমাণ এই নিয়ে পাঁচবার মিলল।

সওরোপোডের ঘাড় হতো দীর্ঘ। লেজও বিশাল হতো। তবে লেজ ও শরীরের অন্যান্য অংশের তুলনায় ছোট হত মাথা । চারটি পা হতো হাতির মতো তবে লম্বায় তা হাতির থেকে অনেক বড় হত। বিশালাকৃতির জন্য এরা পৃথিবীতে বসবাসকারী সবচেয়ে বড় প্রাণীগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত।

সেই সময়ে টাইটানোসররা আফ্রিকা, এশিয়া, দক্ষিণ আমেরিকা, উত্তর আমেরিকা, ইউরোপ, অস্ট্রেলিয়া এবং অ্যান্টার্কটিকায় বসবাস করত। বলা হয় এদের একটি গোষ্ঠী সওরোপোড। তবে যেভাবে এদের হাড় ঠিকভাবে সংরক্ষণ করা হয়নি। তাই এদের বৈশিষ্ট কেমন ছিল তা সম্পর্কে জানা বেশ কঠিন বলে মত বিশেষজ্ঞদের।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.