প্রতীকী

স্টাফ রিপোর্টার, মেদিনীপুর: স্রোতের বিপরীতে হাঁটল কেশপুরের শতাধিক পরিবার। রাজ্যের যখন শাসক দল তৃণমূল অথবা প্রধান বিরোধী দল বিজেপিতে যোগ দেওয়ার হিড়িক তখন কিছু মানুষ লাল ঝাণ্ডা হাতে তুলে নিল। একসময় সিপিএমের শক্ত ঘাটি কেশপুর রাজ্যে পালাবদলের পর তৃণমূলের দখলে।

সম্প্রতি বিজেপিও সারা রাজ্যের মতো কেশপুরেও সংগঠন মজবুত করার লক্ষ্যে এগোচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে সেই এলাকায় নতুন করে মানুষের সিপিএমে যোগদান করায় অক্সিজেন পেল আলিমুদ্দিন স্ট্রিট।

সিপিএমের রাজ্য কমিটির সদস্য তাপস সিনহা বলেন, “তৃণমূল জন্মলগ্ন থেকেই কেশপুরকে অস্থির করে রেখেছে। বিজেপি বিভ্রান্ত করেছে। কিন্তু লকডাউন পরিস্থিতিতে বামপন্থীরা ছাড়া সিপিএম ছাড়া কেশপুরে কাউকে দেখা যায়নি। সেই কারণেই তৃণমূল বা বিজেপির প্রতি আস্থা হারিয়ে মানুষ নতুন করে সিপিএমকে ভরসা করছে।”

স্থানীয় সিপিএম নেতৃত্বের দাবি, কেশপুরের বহু মানুষ কর্মসূত্রে বাইরে থাকেন। লকডাউন পরিস্থিতিতে ভিনরাজ্যে আটকে পড়া সেইসব মানুষদের পাশে দাড়িয়েছিল সিপিএম। সেইসব মানুষের কাছে ত্রান পৌঁছে দেওয়ার পাশাপাশি তাঁদের ফিরিয়ে আনার জন্যেও উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল।

কেশপুরে তৈরি হয়েছিল ‘কমিউনিটি কিচেন’। প্রসঙ্গত, এলাকার তৃণমূল সাংসদ দেবের ভাইপোকেও ত্রান সামগ্রী পৌঁছে দিয়েছে সিপিএম নেতৃত্ব। যা সোশ্যাল মিডিয়াতে রীতিমত ভাইরাল হয়।

উল্লেখ্য, ২০১১ সালের পর রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর কেশপুরে সিপিএমের পার্টিগুলি তৃণমূলের দখলে চলে যায়। বহু সিপিএমের ঘর ছাড়া হয়। তবে বিধানসভা ভোট যত এগিয়ে আসছে তত পায়ের তলায় জমি পাচ্ছে সিপিএম। ইতিমধ্যেই দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর ওই এলাকায় তাদের বেশ কয়েকটি দলীয় কার্যালয় খোলা হয়েছে।

পচামড়াজাত পণ্যের ফ্যাশনের দুনিয়ায় উজ্জ্বল তাঁর নাম, মুখোমুখি দশভূজা তাসলিমা মিজি।