হাওড়া: হাওড়া ও হুগলীর সীমান্তবর্তী ব্লক উদয়নারায়ণপুর। এবার উদয়নারায়ণপুর এলাকার নিরাপত্তা বাড়াতে বিশেষভাবে উদ্যোগী হল স্থানীয় প্রশাসন। জানা গেছে, উদয়নারায়ণপুরের বিস্তীর্ণ এলাকাকে সিসিটিভিতে মুড়ে ফেলা হচ্ছে।

ইতিমধ্যেই উদয়নারায়ণপুর বাসস্ট্যান্ড, গড়ভবানীপুর, রাজাপুর সহ ৩৫ টি জায়গায় ১০০ টি সিসিটিভি লাগানোর কাজ চলছে। বিধানসভা নির্বাচনের আগেই এই কাজ শুরু হয়েছে। কিছুদিনের মধ্যেই এই কাজ সম্পন্ন হবে বলে জানা গেছে। উদয়নারায়ণপুরের বিস্তীর্ণ এলাকাকে সিসিটিভিতে মুড়ে ফেলা হলে নিরাপত্তাজনিত কারণে অনেক সুবিধা হবে বলে মনে করছেন এলাকার মানুষ।

তাঁদের কথায়, উদয়নারায়ণপুর দিয়ে খুব সহজেই পাশ্ববর্তী জেলা হুগলিতে প্রবেশ করা যায়। বড় রাস্তা তো বটেই এমনকি ছোটো রাস্তা দিয়েও হুগলি জেলায় প্রবেশ করা সম্ভব। এর ফলে গ্রামীণ হাওড়ার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে দুষ্কৃতিরা খুব সহজেই হুগলিতে পৌঁছে যেতে পারে। আবার হুগলি জেলার দুষ্কৃতিরাও খুব সহজেই হাওড়া জেলায় চলে আসতে পারে। এলাকায় সিসিটিভি বসানো হলে তাদের গতিবিধি অনেকটাই বোঝা সম্ভব বলে মনে করা হচ্ছে।

২০১৭ সাল থেকেই এই প্রক্রিয়া শুরু হয়েছিল। ক্লোজসার্কিট ক্যামেরা দিয়ে মুড়ে ফেলার ব্যবস্থা হয় হাওড়ার গ্রামীণ এলাকাকে। বাসস্ট্যান্ড, বাজার, বিভিন্ন কারখানার সামনে এবং মুম্বই রোডের গুরুত্বপূর্ণ মোড়গুলিতে বসানোর সিদ্ধান্ত হয় সিসিটিভি ক্যামেরা। সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছিল রাজ্য পরিবহণ দফতরও। ওই সময়ে পরিবহণ দফতর ওই খাতে ৪৫ লক্ষ টাকা খরচ করেছিল। শুধু মুম্বই রোড সংলগ্ন নয়, জেলার বিভিন্ন বাজার, বাসস্ট্যান্ড এই সব এ‌লাকাও আনা হয় সিসিটিভি ক্যামেরার নজরজারিতে। হাওড়া শহর এলাকাতে ৭০০টি সিসি ক্যামেরা বসানো হয় চার বছর আগে। এর মূল উদ্যোক্তা হাওড়া সিটি পুলিশের তৎকালীন ডিসি, ট্রাফিক , সুমিত কুমার।

সেই সময়ে পুলিশ প্রশাসন সূত্রে বলা হয়েছিল, মুম্বই রোডের বিভিন্ন জায়গায় রাতের দিকে দুষ্কৃতীদের তাণ্ডব চলে। বীরশিবপুর, মহিষরেখা, পাঁচলা প্রভৃতি এলাকা রাত দশটার পরে অপরাধমূলক কাজকর্ম বাড়ে। ছিনতাই, লুঠপাটের মতো ঘটনা প্রায়ই ঘটে বলে অভিযোগ ছিল স্থানীয় বাসিন্দাদের। সেই সমস্যা নির্মূল করতে বলা ভালো সমাধান করতে সিসিটিভি বসানোর সিদ্ধান্ত হয়।

গ্রামীণ জেলা পুলিশের এক কর্তার জানিয়েছিলেন, রাতে পুলিশ টহল দেয়। দুষ্কৃতী ধরা পড়লেও অন্য জেলা থেকে দুষ্কৃতীরা হাওড়ায় এসে যখন অপরাধমূলক কাজ করে। তাদের চিহ্নিত করা একটু কঠিন হয়ে যায়। কারণ, তাদের কোনও পুরনো রেকর্ড এই জেলায় থাকে না। সেই সমস্যা এই সিসিটিভিতে মিটবে বলে দাবী করা হয়েছিল।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.