নয়াদিল্লি: জিম লেকারের পর ক্রিকেট ইতিহাসের দ্বিতীয় বোলার হিসেবে এক ইনিংসে ১০ উইকেট। ২১ বছর আগে ফিরোজ শা কোটলায় আজকের দিনেই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী পাকিস্তানের বিরুদ্ধে বিরল কীর্তি গড়েছিলেন ভারতের কিংবদন্তি লেগ-স্পিনার অনিল কুম্বলে। তাঁর ৭৪ রানে ১০ উইকেটে ভর করেই পাকিস্তানের বিরুদ্ধে টেস্ট ম্যাচে সবচেয়ে বড় ব্যবধানে জয় ছিনিয়ে নিয়েছিল টিম ইন্ডিয়া। চেন্নাইয়ে প্রথম ম্যাচে মাত্র ১২ রানে হারের পর দ্বিতীয় ম্যাচে ২১২ রানে জয় তুলে নিয়ে সিরিজ ড্র রেখেছিল ভারত।

বর্ষপূর্তিতে কুম্বলের সেই বিরল কীর্তিকে এদিন স্মরণ করল বিশ্ব ক্রিকেটের সর্বোচ্চ নিয়ামক সংস্থা আইসিসিও। তারা লিখল, ‘১৯৯৯ আজকের দিনেই জিম লেকারের পর দ্বিতীয় বোলার হিসেবে একটি টেস্ট ইনিংসে ১০ উইকেটের নিয়েছিলেন অনিল কুম্বলে। ২৬.৩-৯-৭৪-১০।’ ৪২০ রানের লক্ষ্যমাত্র নিয়ে চতুর্থ ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে কুম্বলের ঘূর্ণিতে ২০৭ রানেই গুটিয়ে গিয়েছিল পাক ব্যাটিং লাইন-আপ। যদিও শুরুটা ভালোই করেছিলেন দুই ওপেনার শাহিদ আফ্রিদি ও সঈদ আনোয়ার।

চতুর্থদিন মধ্যাহ্নভোজে বিনা উইকেটে ১০১ তুলেছিল পাকিস্তান। কিন্তু এরপরই জাম্বো’র (কুম্বলের ডাকনাম) বিষাক্ত ছোবলে একে একে আয়রাম গয়ারাম হয়েছিলেন আফ্রিদি, আনোয়ার, ইজাজ, ইনজামামরা। ম্যাচ শেষে কুম্বলে বিসিসিআই’কে জানিয়েছিলেন, ‘ইনিংসে পারফেক্ট টেন কোন ক্রিকেটারের লক্ষ্য হতে পারে না। তাই ৭ ফেব্রুয়ারি, ১৯৯৯ ঘটনাটা আমার কাছে ডেস্টিনি।’ পরবর্তীতে তাঁর এই কীর্তি প্রসঙ্গে কুম্বলে বলেন একবার যখন ঘটেছে তখন ফের এই ঘটনা ঘটা সম্ভব।

১৯৯৯ এই ঘটনার পর ফুরিয়ে যাননি ভারতীয় ক্রিকেটের ‘জাম্বো’। ৬১৯ টেস্ট উইকেট দখলে নিয়ে সর্বোচ্চ উইকেটশিকারীদের তালিকায় মুথাইয়া মুরলিথরন এবং শেন ওয়ার্নের পরেই স্থান তাঁর। ২০০৮ আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসর গ্রহণ করেন পাঁচদিনের ক্রিকেটে দেশের সবচেয়ে সফল বোলার।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ