কলকাতা২৪x৭: এক বছর হয়ে গেল বাইশ গজের সঙ্গে সেই অর্থে সম্পর্ক নেই তাঁর। ২০১৯ বিশ্বকাপ পরবর্তী সিরিজগুলো থেকে নানা অছিলায় সরে দাঁড়ানো শেষে বোর্ডের কেন্দ্রীয় চুক্তি থেকেই বাদ পড়া। গত একবছরে বাইশ গজে না থেকেও ঘটনাবহুল মহেন্দ্র সিং ধোনির জীবন। শিরোনামে এসেছেন বারেবারে। যেমনটা ক্রিকেট কেরিয়ারের শুরু থেকে ছিলেন।

মঙ্গলবার ৩৯-এ পা দিলেন রাঁচির রাজপুত্র, ভারতকে জোড়া বিশ্বকাপ উপহার দেওয়া মহেন্দ্র সিং ধোনি। তবে শুধুই কী ‘ক্যাপ্টেন কুল’ কিংবা ‘বেস্ট ফিনিশার’। না, ক্রিকেট কেরিয়ারে ধোনির নামের সঙ্গে জুড়ে রয়েছে এমন কিছু তথ্য, যা অবাক করবে ক্রিকেট অনুরাগীদের।

ধোনির জন্মদিনে এমনই ১০টি অজানা তথ্য রইল তাঁর সম্বন্ধে:
১. মহেন্দ্র সিং ধোনি ভারতের প্রথম উইকেরক্ষক ব্যাটসম্যান, যিনি টেস্ট ক্রিকেটে নেতৃত্ব দিয়েছেন দেশকে।

২. ধোনি ভারতবর্ষের দ্বিতীয় অধিনায়ক, যিনি ঘরের মাঠে এবং বিদেশে দু’টি ক্ষেত্রেই অধিনায়ক হিসেবে জয় এনে দিয়েছিলেন দেশকে।

৩. দেশের একমাত্র অধিনায়ক হিসেবে টানা পাঁচটি টেস্ট সিরিজ জয় রয়েছে মাহির ঝুলিতে।

৪. দেশের একমাত্র উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান টেস্ট ক্রিকেটে ৪ হাজার রান এবং সেইসঙ্গে স্টাম্পের পিছনে দস্তানা হাতে ২০০টিরও বেশি শিকার রয়েছে ধোনির ঝুলিতে।

৫. পেশাদার ক্রিকেটার হিসেবে কেরিয়ার শুরু করার আগে ফুটবল এবং ব্যাডমিন্টনেও মাহির ব্যাপক আগ্রহ ছিল। ফুটবল এবং ব্যাডমিন্টন দু’টোতেই তিনি জেলাস্তরে প্রতিনিধিত্ব করেছেন

৬. বন্ধু সন্তোষ লালের কাছে থেকে হেলিকপ্টার শট শিখেছিলেন মাহি। যিনিও ঝাড়খন্ডের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করেছেন।

৭. ভারতের টেরিটোরিয়াল আর্মির লেফটেন্যান্ট কর্নেল হিসেবে সাম্মানিক পদ অলংকৃত করেছেন মহেন্দ্র সিং ধোনি।

৮. বিশ্ব ক্রিকেট সার্কিটে একমাত্র অধিনায়ক হিসেবে ধোনি ওয়ান-ডে বিশ্বকাপ, টি২০ বিশ্বকাপ এবং চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির মতো তিনটি মেজর আইসিসি টুর্নামেন্ট জিতেছেন।

৯. ধোনির প্রিয় অভিনেতা জন আব্রাহাম। শোনা যায় জনকে দেখে অনুপ্রাণিত হয়েই সোনালি চুলে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে আত্মপ্রকাশ করেছিলেন মাহি।

১০. প্রথম আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার হিসেবে ধোনি প্রথম টানা দু’বার আইসিসি ‘ওয়ান-ডে ক্রিকেটার অফ দ্য ইয়ার’ নির্বাচিত হয়েছিলেন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।