নয়াদিল্লি:  শুনতে অবাক লাগলেও, এটা সত্যি। এই ব্যবসা শুরু করার জন্য মাত্র হাতে প্রয়োজন ১০ হাজার টাকা। অথচ মাসে রোজগার হবে ৫০ থেকে ৬০ হাজার টাকা।

কেন্দ্র সরকার সম্প্রতি মোটর ভেহিকল অ্যাক্ট নতুন ভাবে এনেছে। এর জেরে জোর দেওয়া হচ্ছে যানবাহন দূষণ পরীক্ষার ওপরে।

তাই যদি গাড়ির ধোঁয়া পরীক্ষা কেন্দ্র খুলতে পারেন, তবে বেশ লাভের মুখ দেখা যায়। বর্তমানে বেশিরভাগ মানুষের নিজস্ব গাড়ি রয়েছে। তাই ধোঁয়া পরীক্ষা করানোটা অত্যন্ত জরুরি হয়ে পড়েছে। কেন্দ্রের পক্ষ থেকে বিষয়টি বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

তাই যদি কেউ গাড়ির ধোঁয়া পরীক্ষা কেন্দ্র খোলেন, তবে তা লাভজনক হবে। যে মোটর ভেহিকল অ্যাক্টটি জারি করা হয়েছে, তার জেরে গাড়ির পলিউশন পেপার সঠিক না থাকা বা তথ্য ভুল থাকার মতো ঘটনায় মোটা জরিমানার মুখে পড়তে হতে পারে গাড়ির মালিককে। সেই প্রেক্ষিতে দরকার সঠিক পেপার।

এই পেপার তৈরি করবে ধোঁয়া পরীক্ষা কেন্দ্র। এই পরিস্থিতিতে তাই এই ধরণের পরীক্ষাকেন্দ্র থেকে মাসে ৬০ হাজার টাকা আয় করা যেতে পারে। এই ব্যবসা বেশ লাভজনক বলে প্রমাণিত।

যারা কম পুঁজিতে বেশি আয়ের মুখ দেখতে চান, তাঁদের জন্য এই ব্যবসা বেশ উপযুক্ত। খুব কম টাকায় ব্যবসাটি শুরু করা যায়। উল্লেখ্য সমস্ত জনসেবা কেন্দ্রকে পলিউশন চেক সেন্টারের স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। ফলে এর অধীনে যানবাহনের ডিলাররা পরিষেবা কেন্দ্রে ধোঁয়া পরীক্ষা কেন্দ্র খুলতে পারেন।

এদিকে, সাধারণ মানুষ কর্মসংস্থানের জন্য ধোঁয়া পরীক্ষা কেন্দ্র খুলতে পারেন। পাঁচ হাজার থেকে ১০ হাজার টাকার মধ্যে এর লাইসেন্স পাওয়া যায়। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই ব্যবসাটি শুরু করলে দিনে পাঁচ হাজার টাকা পর্যন্ত উপার্জন করা যায়।

এই ব্যবসা শুরু করতে গেলে প্রয়োজন শুধু সঠিক স্থান নির্বাচন ও কিছু সরঞ্জাম দরকার। এছাড়া প্রয়োজন হবে স্থানীয় আরটিও অফিসের অনুমতিপত্র। ধোঁয়া পরীক্ষা কেন্দ্র কোনও পেট্রল পাম্প বা অটোমোবাইল ওয়ার্কশপগুলির কাছে থাকলে ভালো। ধোঁয়া পরীক্ষা কেন্দ্রের লাইসেন্সের মেয়াদ ১ বছর। ফলে প্রতি বছর তা পুনর্নবীকরণ করতে হবে।

জেলবন্দি তথাকথিত অপরাধীদের আলোর জগতে ফিরিয়ে এনে নজির স্থাপন করেছেন। মুখোমুখি নৃত্যশিল্পী অলোকানন্দা রায়।