মুম্বই: আশা-আশঙ্কার দোলাচলে থাকা অনুরাগীদের স্বস্তি দিয়ে আমিরশাহিত মাটিতে আইপিএল উৎসবের রূপরেখা আগেই তৈরি করে ফেলেছিল বিসিসিআই। ১৯ সেপ্টেম্বর থেকে ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেট টুর্নামেন্ট শুরু হতে যাচ্ছে তাও মোটামুটি নিশ্চিত ছিল। কিন্তু ফাইনাল কবে অনুষ্ঠিত হবে, ম্যাচের নির্ঘন্টই বা কী হবে এইসব বিষয়গুলো চূড়ান্ত করতে রবিবার বসেছিল আইপিএল গভর্নিং কাউন্সিলের বৈঠক।

করোনা আবহে বিদেশের মাটিতে স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রোসিডিওর মেনে কীভাবে হবে টুর্নামেন্ট। ইত্যাদি বিষয়গুলোও ছিল বৈঠকের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ। সবমিলিয়ে বৈঠকে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছে আইপিএলের গভর্নিং কাউন্সিল। ১৯ সেপ্টেম্বর-১০ নভেম্বর ৫৩ দিনের একটি পূর্ণাঙ্গ টুর্নামেন্ট আয়োজনের ব্যাপারে যেমন সিলমোহর পড়েছে, ঠিক তেমনই কোভিড আবহে ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলো কোভিড পরিবর্ত খেলোয়াড় ব্যবহার করতে পারবে বলেও নিশ্চিত করেছে ফ্র্যাঞ্চাইজি টুর্নামেন্টের গভর্নিং বডি। একনজরে

দেখে নেওয়া যাক রবির বৈঠকে কী কী সিদ্ধান্ত মোটামুটি গৃহীত হল।

১. সংযুক্ত আরব আমিরশাহির মাটিতে ২০২০ আইপিএল অনুষ্ঠিত হবে আগামী ১৯ সেপ্টেম্বর-১০ নভেম্বর। অর্থাৎ দিওয়ালি উইকেন্ডের আগে অনুষ্ঠিত হবে টুর্নামেন্টের মেগা ফাইনাল।

২. নতুন ভারতীয় সময় সন্ধে ৭টা ৩০মিনিট থেকে শুরু হবে ম্যাচগুলি। ১০টি ডাবল হেডারের ক্ষেত্রে বিকেলের ম্যাচগুলি শুরু হবে ৩টে ৩০মিনিট থেকে।

৩. সর্বোচ্চ ২৪ জন ক্রিকেটারের স্কোয়াড নিয়ে ২৬ অগস্টের পর আমিরশাহির উদ্দেশ্যে রওনা দিতে পারবে দলগুলো।

৪. করোনাভাইরাসের কথা মাথায় রেখে কোভিড পরিবর্ত নিতে পারবে দলগুলো। অর্থাৎ, টুর্নামেন্ট চলাকালীন দলের কোনও খেলোয়াড় নোভেল করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হলে টুর্নামেন্টের বাকি সময়ের জন্য পরিবর্ত খেলোয়াড় দলে নিতে পারবে ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলি।

৫. প্রাথমিকভাবে আইপিএলের ম্যাচগুলি অনুষ্ঠিত হবে ক্লোজ-ডোর। মাঝপথে পরিস্থিতি বুঝে সীমিত সংখ্যক দর্শককে স্টেডিয়ামে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হতে পারে। তবে সেটা পুরোটাই সেদেশের সরকারের সম্মতিতে।
৬. ভারতীয় এবং বিদেশি সমস্ত ক্রিকেটারকে চার্টার্ড বিমানে করে উড়িয়ে নিয়ে যাওয়া হবে আয়োজক দেশে।
৭. বিশেষজ্ঞ কমিটির সঙ্গে আলোচনা করেই জৈব নিরাপত্তা বলয়ের মতো স্ট্যান্ডার্ড অপারেশনস প্রোসিডিওর তৈরির কাজ চলছে।
৮. স্ট্যান্ডার্ড অপারেশনস প্রোসিডিওরের অন্তর্ভুক্ত মেডিক্যাল প্রোটোকল তৈরির জন্য প্রথম সারির হাসপাতাল এবং স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানগুলোর বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের নিয়োগ করা হবে।

৯. চিনা স্পনসর সহ অন্যান্য সমস্ত স্পনসরকেই টুর্নামেন্টে অন্তর্ভুক্ত রাখা হয়েছে।

১০. ১-১০ নভেম্বর মেয়েদের আইপিএল অর্থাৎ, উইমেন্স টি২০ চ্যালেঞ্জার সিরিজও আয়োজনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে।

পপ্রশ্ন অনেক: একাদশ পর্ব

লকডাউনে গৃহবন্দি শিশুরা। অভিভাবকদের জন্য টিপস দিচ্ছেন মনোরোগ বিশেষজ্ঞ।