নয়াদিল্লি: বিশ্বের অন্যতর দ্রুত বেড়ে ওঠা সামরিক শক্তি ভারত৷ একটি আঞ্চলিক শক্তি থেকে ধীরে ধীরে আন্তর্জাতিক শক্তিতে পরিণত হচ্ছে ভারত৷বিভিন্ন অত্যাধুনিক সমরাস্ত্রে দেশের অস্ত্রাগারকে শক্তিশালী কে তুলেছে ভারতীয় সেনা৷ দেখে নেওয়া যাক ভারতীয় সেনার অস্ত্রাগারে থাকা দশটি সেনা অত্যাধুনিক অস্ত্রকে৷ যা রাতের ঘুম ওড়াতে পারে শত্রুপক্ষের৷

১৷ Su-30Mki: একবিংশ শতাব্দীতে ভারতীয় বায়ু সেনার হাতে থাকা সবচেয়ে অত্যাধুনিক এয়ারক্রাফট হল সু-৩০মিএমকেআই৷এটি একটি লঙ্গ রেঞ্জ, মাল্টি রোল, ৪.৫ জেনারেশন ফাইটার জেট৷ ভারত, ইজরায়েল ও ফ্রান্সের সঙ্গে একত্রে রাশিয়া তৈরি শুরু করেছিল এই যুদ্ধবিমান৷ এই বিমানের শত্রুকে নিকেশ করার ক্ষমতা উপলব্ধি করে ভারতীয় বায়ু সেনা ২৭২ টি  সু-৩০মিএমকেআই যুদ্ধবিমানের বরাত দেয়৷ যা ভারতীয় বায়ু সেনার এখনও পর্যন্ত সবচেয়ে বড় চুক্তি৷ wapn-1

২৷ BrahMos Missile: ভারতের হাতে থাকা সবচেয়ে চর্চিত অস্ত্র এটি৷ ভারত ও রাশিয়ার যৌথ ভাবে তৈরি করেছে এই মিসাইলটি৷ যে কোনও স্থান থেকেই নিক্ষেপ করা যাবে ব্রহ্মস মিসাইলকে৷ ৯ মিটার লম্বা, তিন টন ওজনের এই মিসাইলটি বর্তামানে ভারতীয় সেনার মেরুদণ্ডে পরিণত হয়েছে৷ ইতিমধ্যে ভারতীয় বায়ু সেনা ব্রহ্মস মিসাইল ব্যবহারের বেশ কয়েকটি মহড়াও করেছে৷ প্রতি বছর একশোটি করে ব্রহ্মস মিসাইল তৈরি করাই বর্তমানে ভারতের লক্ষ্য ৷wapn-2

৩৷ INS Chakra: রাশিয়ার থেকে দশ বছরের জন্য আকুলা ২ ক্লাস এসএসএন নেরপা লিজে নিয়েছিল ভারত৷তবে বর্তামানে ভারতীয় নেভির হাতে এসেছে আইএনএস চক্রর মতো লঙ্গ রেঞ্জ আন্ডারওয়াটার এসকর্ট৷ এতে রয়েছে ৩৬ টি টর্পেডো, ক্লাব অ্যান্টিসিপ মিসাইল৷
wapn-3
৪৷INS Vikramaditya and Kolkata Class destroyers: ভারতীয় নৌসেনার হাতে থাকা সবচেয়ে শক্তিশালী অস্ত্র হল আইএনএস বিক্রমাদিত্য ও কলকাতা ক্লাস ডেস্ট্রয়ার৷আইএনএস বিক্রমাদিত্য হল ভারতীয় নৌবাহিনীর সবচেয়ে বড় যুদ্ধজাহাজ৷পয়তাল্লিশ হাজার টনের এই অস্ত্রের উপর ভর করেই ভারত মহাসাগরে নিরাপত্তা মজবুত করছে নৌসেনা৷এতে তাকতে পারে ২৪টি MiG-29K যুদ্ধবিমান ও ছ’টি ASW/AEW হেলিকপ্টার৷ wapn-4a
অন্যদিকে কলকাতা ক্লাস হল সবচেয়ে অত্যাধুনিক ভারতীয় ডেস্ট্রয়ার৷ এটি প্রথম ভারতীয় যুদ্ধজাহাজ যাতে ব্যবহার করা হয়েছে  Active Electronically Scanned Array (AESA) ব়্যাডার৷ wapn-4b

৫৷ T-90S Bheeshma: ভারতীয় সেনার  T-90S ভীষ্ম রাশিয়ার T-90A কামানেরই অত্যাধুনিক ভার্সান৷এতে ব্যবহার করা হয়েছে ইজরায়েল, ফ্রান্স ও সুইডেনের প্রযুক্তি৷ যা T-90S ভীষ্মকে রাশিয়ার T-90A কামানের চেয়েও অত্যাধুনিক করে তুলেছে৷ এতে রয়েছে ত্রি-স্তরীয় Saab LEDS-150 Active Protection System (APS) সিস্টেম৷ যা শত্রুর থেকে অতি সহজেই রক্ষা করে সেনাকে৷ বর্তমানে ভারতের কাছে রয়েছে ছশোটি T-90S কামান৷২০২০র মধ্যে সেই সংখ্যা ১৫০০ হওয়ার আশা করা হচ্ছে৷wapn-5

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।