পানাজি: বড় ম্যাচ যে দল জেতে, পরের ম্যাচে হোঁচট খায় তারা। ময়দানের এই প্রাচীন প্রবাদ গোয়ার তিলক ময়দানেও সোমবারের সন্ধ্যায় তাড়া করে ফিরল হাবাসের সবুজ-মেরুনকে। নইলে ৮৫ মিনিট দশজনে পেয়েও হায়দরাবাদকে হারাতে না পারার মত ভুল কাজ কেন করবে এটিকে-মোহনবাগান। কেন তিরি প্রীতমের ব্যাকপাসটা বক্সের মধ্যে ওভাবে ছেড়ে দেবে? কারণটা অবশ্যই বিপক্ষ দলটার নাম হায়দরাবাদ এফসি। যে দলটার প্রাণশক্তি বিদেশিরা নন, বরং বিদেশিরা অনেক বেশি মুখাপেক্ষী ভারতীয় ফুটবলারদের।

ম্যাচের আগেরদিনই নিজামদের নিয়ে সমীহ ঝরে পড়েছিল হাবাসের গলায়। জানিয়েছিলেন চলতি টুর্নামেন্টের সবচেয়ে বড় চমক এই হায়দরাবাদ দলটা। ম্যানুয়েল রোকার হাতে পড়ে চলতি মরশুমে বদলে যাওয়া হায়দরাবাদই চ্যাম্পিয়ন্স লিগের অপেক্ষা দীর্ঘায়িত করল বাগানের। বলা ভাল সংযুক্তি সময়ের গোলে দশজনের হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে হার বাঁচাল এটিকে মোহনবাগান। পাঁচ মিনিটে দশজনে হয়ে যাওয়ার পরেও বাগান ডিফেন্স ভেদ করে ম্যাচে দু’বার এগিয়ে যায় যে দল, তাদের বাহবা জানানো হবে না তো কাদের হবে? তিলক ময়দানে এদিন উত্তেজক ম্যাচ শেষ হল ২-২ গোলে।

অথচ ম্যাচের প্রথম পাঁচ মিনিটে হায়দরাবাদ ডিফেন্সের অন্যতম স্তম্ভ চিংলেনসানাকে মার্চিং অর্ডার দেন রেফারি। বাগানের এসিএলের রাস্তা যেন আরও সুগম হয়ে যায়। কিন্তু তিন মিনিট বাদে গোল করে এগিয়ে যায় দশজনের হায়দরাবাদ। খেলার গতির কিছুটা বিরুদ্ধেই গোলটা। প্রীতম কোটাল ব্যাকপাস করতে গিয়ে বল তুলে দেন আরিদানে সান্তানার পায়ে। আর বক্সে বল পেয়ে স্প্যানিশ স্ট্রাইকারের নেওয়া নির্বিষ শট ঢুকে যায় গোলে। প্রথমার্ধের বাকি সময়টা বাগানের আধিপত্য থাকলেও চিংলেনসানাকে ছাড়াই আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে কৃষ্ণা নামক জুজুকে রুখে দেয় নিজাম রক্ষণ।

কিন্তু নিজাম রক্ষণের ডেডলক ভাঙল দ্বিতীয়ার্ধে ৫৭ মিনিটে। প্রতি-আক্রমণে ডেভিড উইলিয়ামসের থ্রু বল ধরে বক্সের মধ্যে দুরহ কোন থেকে নেওয়া মনবীরের শট জড়িয়ে যায় জালে। কিন্তু ম্যাচ থেকে হারায়নি হায়দরাবাদ। বরং চোট পেয়ে সন্দেশ বেরিয়ে যাওয়ার সুযোগ নিয়ে ৭৫ মিনিটে ফের ম্যাচে লিড নেয় নিজামরা। থ্রো-ইন থেকে আরিদানের হেডে নামিয়ে দেওয়া বল বক্সের সামান্য বাইরে থেকে বাঁ-পায়ের শটে জালে জড়িয়ে দেন রোলান্ড অলবার্গ। সংযুক্তি সময়ের তৃতীয় মিনিটে কর্নার থেকে সুকৌশলে সেই গোল পরিশোধ করে বাগান।

উইলিয়ামস কর্ণার থেকে ছোট পাসে বল দেন পরিবর্ত কোমল থাতালকে। থাতাল সেই বল ওয়াল খেলে উইলিয়ামসের পায়ে জমা দেন। এরপর অজি স্ট্রাইকারের ব্যাকহিল ধরে থাতালের ক্রস শরীর ছুঁড়ে ধরতে ব্যর্থ হন হায়দরাবাদ গোলরক্ষক কাট্টিমানি। এবং তা প্রীতমের গায়ে লেগে ঢুকে যায় গোলে। এর ফলে হাবাসের দলের এসিএল অপেক্ষা দীর্ঘায়িত হল। পরের ম্যাচে মুম্বই পয়েন্ট নষ্ট করলেই লিগ শিল্ড উইনার হবে বাগান। আর মুম্বই পরের ম্যাচে তিন পয়েন্ট পেলে মুম্বইয়ের বিরুদ্ধেই লিগের শেষ ম্যাচের দিকে তাকিয়ে থাকতে হবে বাগানকে।

অন্যদিকে ১৯ ম্যাচে ২৮ পয়েন্ট নিয়ে টপ-ফোরের দৌড়ে রইল নিজামরাও। টানা ১১ ম্যাচে অপরাজিত তারা।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।