স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: করোনা মোকাবিলায় মানুষের পাশে দাঁড়াতে এগিয়ে এল পাবলিশার্স অ্যান্ড বুকসেলার্স গিল্ড। তাঁদের পক্ষ থেকে রাজ্যের আপৎকালীন ত্রাণ তহবিলে দেওয়া হল ১০ লক্ষ টাকা। এই আর্থিক অনুদানের মধ্যে দিয়ে সাধারণ মানুষের পাশে থাকার বার্তা দিলেন গিল্ডের সদস্যরা।

পাবলিশার্স অ্যান্ড বুকসেলার্স গিল্ডের পক্ষ থেকে শনিবার এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, করোনা ভাইরাসের অতর্কিত আক্রমণে সৃষ্টি হওয়া অভূতপূর্ব বিশ্বব্যাপী সংকটকালীন পরিস্থিতিতে আমাদের রাজ্যে নিরবিচ্ছিন্ন লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পাবলিশার্স অ্যান্ড বুকসেলার্স গিল্ডের পক্ষ থেকে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য আপৎকালীন ত্রাণ তহবিলে আমরা ১০ লক্ষ টকা পাঠালাম।

এছাড়াও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্দেশ্যে লেখা এক চিঠিতে গিল্ডের পক্ষ থেকে মুখ্যমন্ত্রীর প্রতি অনুরোধ করা হয়, “দিদি, ভালো থাকুন। আমাদের সকলের একান্ত আবেদন এই অসহনীয় সংকটকালে দয়া করে সাবধানে থাকুন। আপনি এই অন্ধকারে একমাত্র আলোকবর্তিকা। শ্রদ্ধা ও নমস্কার গ্রহণ করুন।”

পাবলিশার্স অ্যান্ড বুকসেলার্স গিল্ডের সম্পাদক সুধাংশুশেখর দে kolkata24x7-কে বলেন, “শুধু বইমেলা নয়, বইমেলার পাশাপাশি আমরা সারা বছরই নানা সামাজিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত থাকি। আজ আমরা চলেছি এক দুঃসময়ের মধ্যে দিয়ে। আমাদের রাজ্য তথা সারা পৃথিবীতে অন্ধকার সময় চলছে এখন। এই দুঃসময়ে বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আমাদের জন্য যা করছেন তা এক কথায় অভাবনীয়। আমরা সমস্ত পরিস্থিতিকে নিরিখে রাজ্যের আপৎকালীন ত্রাণ তহবিলে ১০ লক্ষ টাকা প্রদান করেছি। আশা করি সমস্ত বিধি নিষেধ মেনে আমরা দ্রুতই এই পরিস্থিতি কাটিয়ে উঠব।”

করোনা মোকাবিলায় জেরবার সারা পৃথিবী। ভারতেও লাফিয়ে বাড়ছে মৃতের সংখ্যা। সারা দেশে লকডাউন। পশ্চিমবঙ্গে এক পরিবারের ৫ জন এই মারণ ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার খবর উঠে এসেছে। রাজ্য তৈরি হচ্ছে আপৎকালীন ত্রাণ তহবিল। অনেকেই এগিয়ে এসেছেন ইতিমধ্যে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাস্তায় নেমে কাজ করছেন। তাঁর কাজের প্রশংসা করে তাঁকে ফোন করেন নরেন্দ্র মোদী ও অমিত শাহ।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।