মুম্বই: ২০২১ আইপিএলে মাঠে বল গড়ানোর আগেই ধাক্কা খেল বিশ্বের বৃহত্তম ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেট লিগ৷ মাত্র পাঁচ দিন পরেই শুরু হচ্ছে আইপিএলের চতুর্দশ সংস্করণ৷ ৯ এপ্রিল চেন্নাইয়ের চিপকে উদ্বোধনী ম্যাচ৷ কিন্তু ১০ এপ্রিল মুম্বইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে প্রথমে মুখোমুখি চেন্নাই সুপার কিংস ও দিল্লি ক্যাপিটালস৷ কিন্তু শনিবার ওয়াখেড়ে স্টেডিয়ামের ১০ মাঠকর্মীর করোনা আক্রান্ত হওয়ার খবর সামনে আসায় অস্বস্তিতে বিসিসিআই৷

মহারাষ্ট্রে কোভিড-১৯ আক্রান্তের সংখ্যা প্রতিদিন বাড়ছে৷ দেশের মধ্যে সবচেয়ে খারাপ অবস্থা এই রাজ্যে৷ মহারাষ্ট্রে নতুন করে ৪৭,৮২৭ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। শুক্রবারই সাম্প্রতিক সময়ের সবথেকে বেশি কোভিড আক্রান্ত হন ৮৮৩২ জন। এই নিয়ে টানা দু’দিন ধরে মুম্বইয়ে একদিনে ৮৫০০-এর বেশি কোভিড আক্রান্ত হয়েছেন। এই অবস্থায় আইপিএলে সঙ্গে যুক্ত সকলেই চরম শঙ্কায় ভুগছেন। এবার সেখানেই অর্থাৎ মুম্বইয়ে ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামের ১০ জন মাঠকর্মী ও ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট টিমের ৬ জনের করোনা আক্রান্ত হওয়ায় স্বভাবতই কপালে ভাঁজ ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের৷

খবরের সত্যতা স্বীকার করে নিয়ে মুম্বই ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের এক সিনিয়র কর্তা সংবাদসংস্থা পিটিআই-কে জানিয়েছেন, ‘হ্যাঁ, গতকাল ৮ জন মাঠকর্মীর কোভিড রিপোর্ট পজিটিভ এসেছিল৷ শনিবার আরও দু’জনের রিপোর্ট পিজিটিভ এসেছে৷ ১০ জনকেই বাড়ি পাঠানো হয়েছে৷ পাশাপাশি আইসোলেশনে রাখা হয়েছে৷’
তিনি আরও বলেন, ‘আইপিএল শুরুর আগেই এমন খবরে সতর্কতার কথাই প্রথমে মাথায় আসবে। কিন্তু আমরা কঠোরভাবে প্রোটোকল ফলো করছি। তা সত্ত্বেও এমন খবরে আশঙ্কা তৈরি হওয়াটা স্বাভাবিক।’

নাম প্রকাশে অনিচ্চছুক এক ফ্র্যাঞ্চাইজির কর্তা বলেন, ‘টুর্নামেন্ট শুরুর আগে এই ঘটনা আমাদের কাছে ওয়েকআপ কল। অনেক সময় আমরা বায়ো-বাবলে প্রবেশ করে কিছুটা স্বচ্ছন্দ হয়ে পড়ি। তবে এই ঘটনাই বলে দিচ্ছে, আমাদের আরও কড়াভাবে প্রোটোকল ফলো করতে হবে।’ ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে আইপিএলের ম্যাচ হওয়ার কথা এপ্রিলের ১০-২৫ তারিখ৷ এই সময়ের মধ্যে ১০টি আইপিএল ম্যাচ হবে এখানে। বর্তমানে চেন্নাই সুপার কিংস, দিল্লি ক্যাপিটালস, পঞ্জাব কিংস এবং রাজস্থান রয়্যালস মুম্বইয়ে রয়েছে৷ প্রথম দিকে এই দলগুলি ওয়াংখেড়েতে ম্যাচ খেলবে৷ চেন্নাইয়ের পর মুম্বইয়ে ম্যাচ খেলার কথা কলকাতা নাইট রাইডার্সের৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.