ছবি: প্রতীকী

স্টাফ রিপোর্টার, বাঁকুড়া: সাত সকালে ফের হাতির আক্রমণের ঘটনা ঘটলো বাঁকুড়ায়। বৃহস্পতিবার বড়জোড়ার খাড়ারী গ্রামের দিলীপ কুণ্ডু নামে এক ব্যক্তি হাতির আক্রমণের শিকার হন। হাতির হামলার পর থেকেই তীব্র চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে গোটা এলাকায়৷

স্থানীয় সূত্রে খবর, অন্যান্য দিনের মতো এদিনও ওই ব্যক্তি গ্রামের পাশের জঙ্গলে প্রাতঃকৃত্য সারতে গিয়েছিলেন। কিন্তু সেই সময় জঙ্গলে থাকা একটি হাতি তাঁকে তাড়া করে। তারপর শুঁড় দিয়ে টেনে জঙ্গল পথে বেশ কিছুটা টেনে নিয়ে যায়। পা দিয়েও তাঁকে আঘাত করে। পরে স্থানীয়রা গুরুতর আহত অবস্থায় ওই ব্যক্তিকে উদ্ধার করে বাঁকুড়া সম্মিলনী মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে ভর্তি করেন। বর্তমানে সেখানেই তাঁর চিকিৎসা চলছে।

প্রসঙ্গত, বার বার বড়জোড়া এলাকায় হাতির আক্রমণের ঘটনায় আতঙ্কিত হয়ে উঠেছেন এলাকাবাসীরা। বনদফতরের দায়িত্বশীল ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। উত্তর বাঁকুড়ার এই বনাঞ্চলে দীর্ঘদিন ধরে বেশ কয়েকটি ‘রেসিডেন্সিয়াল’ হাতি রয়েছে। অনেক সময় তারা জঙ্গল ছেড়ে লোকালয়ে চলে আসে। প্রায়শই হাতির আক্রমণের ঘটনা ঘটায় এলাকায় সাধারণ মানুষের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হচ্ছে। এলাকার মানুষের স্বাভাবিক জনজীবন ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বলেও অভিযোগ জানিয়েছেন বেশ কিছু বাসিন্দা৷

অন্যদিকে, হাতির আক্রমণে আহত ওই ব্যক্তির আত্মীয় তপন কুমার কুণ্ডু বলেন, ‘‘রেসিডেন্সিয়াল হাতির আক্রমণের ঘটনা বার বার ঘটে চলেছে। এই ঘটনায় যথেষ্ট আতঙ্কিত আমরা। বনদফতর মাঝে মাঝে হাতি তাড়াতে হুলা পার্টি পাঠায়৷ তবে তাতে কোনও লাভ হয় না৷’’ আর আহতের পরিবারকে সামান্য কিছু খরচ দিয়েই তাদের দায় সারে বলেও তাঁর অভিযোগ। তিনি দাবি করেছেন, বারবার এই হাতির হামলায় দ্রুত কোনও সুব্যবস্থা নেওয়া উচিৎ বনদফতরের৷ এই ধরনের ঘটনা ঘটে চলায় ক্রমে আতঙ্কও বেড়ে চলেছে এলাকাবাসীদের৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

জীবে প্রেম কি আদৌ থাকছে? কথা বলবেন বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞ অর্ক সরকার I।