কলকাতা: বিজেপি নেত্রী পামেলা গোস্বামী (Pamela Goswami)মামলায় তৎপর পুলিশ৷ ওই ঘটনায় আরও একজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ (police)৷

পুলিশ সূত্রে খবর, নিউটাউন থেকে আরিয়ান দেব নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে নিউ আলিপুর থানার পুলিশ৷ এর আগে পামেলা কাণ্ডে গ্রেফতার করা হয় সুরজ কুমার সাউ নামে এক ব্যক্তিকে৷ তাকে অরফ্যানগঞ্জ রোড থেকে গ্রেফতার করে পুলিশ৷ ধৃতের নাম আরিয়ান দেব(৪২)৷ নিউ আলিপুরের বাসিন্দা৷

দু’দিন আগে আদালতে নিয়ে যাওয়ার সময় রাকেশ সিংহের (Rakesh Singh) নামে বিস্ফোরক অভিযোগ করে পামেলা গোস্বামী (Pamela Goswami)। পাশাপাশি মাদককাণ্ডে (drug case) বিজেপি নেত্রী পামেলাকে ফের জেল হেফাজতের নির্দেশ দেয় আদালত৷

গত বৃহস্পতিবার আদালতে সংবাদমাধ্যমের সামনে পামেলা গোস্বামী (Pamela Goswami) বলেছিলেন,জেলে মেরে ফেলার হুমকি পাচ্ছি। রাকেশ সিং এর নাম না করে বলেন,’যার নামে ৭০-৭৫টা কেস রয়েছে তাঁর কাছে আমরা এর থেকে আর বেশি কী আশা করব। তার প্রতিচ্ছবি আজ বাংলার মানুষের কাছে স্পষ্ট।

মাদককাণ্ডে (drug case) বিজেপি নেতা রাকেশ সিং(Rakesh Singh)কে গত সোমবার ফের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে আদালত৷ সোমবার তাকে আদালতে তোলা হলে আগামী ৯ মার্চ পর্যন্ত পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দেয় আলিপুর আদালত৷ আদালত সূত্রে খবর, রাকেশ সিং সহ আরও দু’জনকে ওই দিন পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দেয় আদালত৷ তারা হলেন সুরজ ও জিতেন্দ্র৷

সরকারি আইনজীবী সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছিলেন, পামেলার গ্রেফতারির দিনের সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যাচ্ছে,একটি গাড়ি থেকে চালক নেমে গেল৷ তারপর ওই গাড়ি থেকেই নামছেন পামেলা ও আরও একজন৷ এছাড়া আরও একজন গাড়ি থেকে নেমে প্রথমে স্কুটি ও বাসে করে রাকেশের বাড়ির দিকে গিয়েছে৷ অন্যদিকে রাকেশ সিং এর আইনজীবীর দাবি, তার মক্কেলকে জোর করে ফাঁসানোর হচ্ছে৷

কিছুদিন আগে পূর্ব বর্ধমান জেলার গলসি থেকে রাকেশ সিংকে গ্রেফতার করে পুলিশ৷ তারপর তাকে লালবাজারে নিয়ে আসা হয়৷ গত বুধবার রাকেশকে আলিপুর আদালতে নিয়ে যান পুলিশ আধিকারিকরা। সেই সময়ে ধাক্কাধাক্কিতে জড়িয়ে পড়ে পুলিশ ও ধৃত নেতা। বিজেপি নেতার অভিযোগ, পুলিশ দাদাগিরি করছে। কোনও কারণ ও প্রমাণ ছাড়া তাঁকে গ্রেফতার হয়েছে। অত্যাচার করছে পুলিশ।

তিনি এও দাবি করেছেন, যাতে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে না পারেন সেই কারণেই রাকেশ সিংয়ের বিরুদ্ধে চক্রান্ত করা হচ্ছে। গোটা ঘটনায় তাঁর কোনও যোগ নেই।এদিন আদালতে বিজেপি নেতার আইনজীবী তাঁর জামিনের আবেদন জানিয়েছেন। এদিকে ধৃতের পুলিশ হেফাজতের আবেদন জানিয়েছেন তদন্তকারীরা।

প্রসঙ্গত, মাদক-কাণ্ডে দিন কয়েক আগেই গ্রেফতার করা হয়েছিল বিজেপি নেত্রী পামেলা গোস্বামী(pamela goswami)। ২০ ফেব্রুয়ারি তাঁকে আলিপুর আদালতে তোলার সময় এই রাকেশের বিরুদ্ধে চক্রান্তের অভিযোগ তুলেছিলেন পামেলা। তাঁর দাবি, কেন্দ্রীয় নেতা কৈলাশ বিজয়বর্গীয়র ঘনিষ্ট রাকেশ সিং তাঁর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করেছেন৷ তাঁকে গ্রেফতার করা হোক এই দাবি ছিল পামেলার।

পুলিশ সূত্রে খবর, মোবাইল টাওয়ারের সুত্র ধরে তাঁর সন্ধান পায় পুলিশ। মঙ্গলবার রাকেশের দিল্লি যাওয়ার কথা থাকলেও, টাওয়ার লোকেশন দেখে পুলিশ নিশ্চিত হয় রাজ্যেই আছেন তিনি। যদিও বেলা ১.৩০-এর পর থেকে বন্ধ হয়ে যায় তাঁর মোবাইল।

এরপর বিকেলের দিকে একবার মোবাইল অন হলে পুলিশ নিশ্চিত হয় পূর্ব বর্ধমানে আছেন রাকেশ। এরপরেই গলসি থানা আটক করে রাকেশকে। তাঁকে রাতে হেফাজতে নেয় কলকাতা পুলিশের আধিকারিকরা। রাতেই তাঁকে লালবাজারে নিয়ে আসা হয়। তাঁর সঙ্গে গ্রেফতার করা হয় সঙ্গী রাজেশ সিংকে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।