স্টাফ রিপোর্টার, বহরমপুর: রেল গার্ডের গাফিলতি ও বিনা ঘোষণায় ট্রেন চলে আসায় মৃত্যু হয় এক ব্যক্তির৷ গুরুতর জখম হয় আরও দুই জন৷ ঘটনাটি ঘটেছে মুর্শিদাবাদের রেজিনগরের ওমরপুরের কাছে৷

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, রেজিনগরের ওমরপুরের কাছে ৬ নম্বর রেল গেটের কাছে লাইন পারাপার করার জন্য দাঁড়িয়ে ছিলেন স্থানীয় বাশিন্দারা। এদিন প্রথমে একটি ইঞ্জিন যাওয়ার পর রেল গেট খুলে দেন গেটম্যান৷ এরপরই লাইন পারাপার শুরু করেন রেলগেটের দুধারের মানুষজন৷ এরমধ্যেই লালগোলা থেকে শিয়ালদহগামী একটি ট্রেন চলে আসে।

সেই সময় ট্রেন চলে আসায় লাইনেই আটকে পড়ে অনেকে। ট্রেনের ধাক্কায় জখম হন চার জন। স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে প্রথমে বেলডাঙ্গা গ্রামীণ হাসপাতালে ভরতি করে৷ সেখানেই মৃত্যু হয় এক ব্যক্তির৷ জানা গিয়েছে মৃত ব্যক্তির নাম জামিরুল শেখ। তিনি পেশায় ট্রাক্টর চালক ছিল৷ দাদপুরের বাসিন্দা৷ আহত একজনকে মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়।

এই দুর্ঘটনার পর রেললাইনের দায়িত্বে থাকা গার্ডকে আটকে রেখে বিক্ষোভে ফেটে পড়েন স্থানীয় মানুষজন। প্রায় দুই ঘণ্টার বেশি সময় ধরে রেললাইনে বসে বিক্ষোভ দেখান এলাকায় মানুষ। আপ ট্রেন যাওয়া পর রেললাইন খুলে দেওয়া হয়েছিল তারপরও আবার ওই লাইন দিয়ে ট্রেন চলে এলো তা নিয়েই প্রশ্ন তুলছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।