স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: কলকাতা: দুপুরের খাবার গ্রহণের পর অনেকেই ভাতঘুমে ছিলেন৷ হঠাৎ বিকট শব্দে কেপে উঠল এলাকা৷ আতঙ্কে বাইরে বেরিয়ে আসেন স্থানীয় বাসিন্দারা৷ দেখেন একটি দোতলা বাড়ির একাংশ ভেঙে পড়েছে৷ ঘটনাটি ঘটেছে আনন্দপুর থানার মার্টিন পাড়া এলাকায়৷

স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন,মঙ্গলবার দুপুরে হঠাৎ বিকট শব্দে কেপে উঠে এলাকা৷ মনে হয়েছিল এলাকায় বোমা বিস্ফোরণ হয়েছে৷ বাইরে বেরিয়ে দেখি একটি দোতলা বাড়ির একাংশ ভেঙে পড়েছে৷

তার ফলে পাশের বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে৷ সেই বাড়ির এক কিশোর আহত হয়েছে৷ সুজয় মন্ডল নামে আহত ওই কিশোরকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়৷ সেখানে তার মাথায় তিনটি সেলাই পড়েছে৷

তাছাড়া ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বিদ্যুতের খুঁটি৷ তার ফলে সাময়িক বিদ্যুৎ বিপর্যয় দেখা দিয়েছিল৷ খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসে সিইএসসি ও পুলিশ৷ তবে দুর্ঘটানার সময় ভেঙে পড়া বাড়িতে কেউ ছিল না বলে খবর৷

এর আগে প্রবল বৃষ্টিতে বেলেঘাটায় ভেঙে পড়েছিল ১৫০ বছরের পুরনো বাড়ির একাংশ৷ বাড়িতে আটকে পড়েছিল পরিবার৷ উদ্ধারকারীদল এসে তাদের উদ্ধার করে৷ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে একজনকে মৃত বলে ঘোষণা করে চিকিৎসক৷

পুলিশ সূত্রে খবর,৫৫ নম্বর বেলেঘাটা মেন রোডে একটি পুরনো বাড়ি ভেঙে পড়ে৷ খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় পুলিশ ও কলকাতা পুলিশের উদ্ধারকারীদল৷ ধ্বংসস্তূপে আটকে পড়া এক বৃদ্ধাকে কয়েক ঘণ্টার চেষ্টায় উদ্ধার করা হয়৷ তারপর সংজ্ঞাহীন অবস্থায় তাকে এনআরএস হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়৷ সেখানে চিকিৎসকরা ওই বৃদ্ধাকে মৃত বলে ঘোষণা করে৷

জানা গিয়েছিল , ভেঙে পড়ার সময় বাড়িটিতে ছিলেন বছর সত্তরের বৃদ্ধা প্রতিমা সাহা, তাঁর ছেলে রাজেশ সাহা, বউমা ও নাতি ঋষব সাহা৷ কিন্তু বৃদ্ধার ছেলে, বউমা ও নাতি বেঁচে গেলেও মৃত্যু হয়েছে বৃদ্ধার৷

তবে আনন্দপুর থানার মার্টিন পাড়া এলাকার বাড়িটি ঝড় বৃষ্টি ছাড়াই ভেঙে পড়েছে৷ জানা গিয়েছে, এই বাড়িটি বেশ দিনের পুরনোও না৷ ৯ বছর আগে তৈরি হয়েছে৷ এরই মধ্যে কেন ভেঙে পড়ল তারও তদন্ত শুরু হয়েছে৷

জেলবন্দি তথাকথিত অপরাধীদের আলোর জগতে ফিরিয়ে এনে নজির স্থাপন করেছেন। মুখোমুখি নৃত্যশিল্পী অলোকানন্দা রায়।