নয়াদিল্লি: প্রজাতন্ত্র দিবসে ট্র্যাকটর মিছিল চলাকালীন দিল্লি জুড়ে যে উত্তপ্ত পরিস্থিতির তৈরি হয়েছিল, তাতে কৃষক আন্দোলন নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। তবে অনেকে একদিকে যেমন কৃষকদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন, তেমনই বেশ কিছু মানুষ আবার এর বিরোধীতাও করছে। এমতাবস্থায় বাতিল করার ঘোষণা হতে পারে ১ ফেব্রুয়ারি কৃষকদের ‘সংসদ মার্চ’। বুধবার কৃষক সমিতিগুলির বৈঠকে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

কৃষক সংগঠনগুলি এর আগে জানিয়েছিল, ১ ফেব্রুয়ারি, সমস্ত কৃষক সংসদ অবধি পায়ে হেঁটে যাবেন। উল্লেখ্য, এই ১ ফেব্রুয়ারিই সংসদে বাজেট পাশ করা হয়। কৃষক সংগঠনগুলি জানিয়েছিল, কয়েক হাজার কৃষক ওইদিন প্রতিবাদ স্থল থেকে হেঁটে সংসদ ভবনে যাবেন।

আরও পড়ুন – ২২ অর্থবর্ষে বিলগ্নীকরণেরর লক্ষ্যমাত্রা হতে পারে ২ লক্ষ কোটি টাকা

প্রজাতন্ত্র দিবসে আন্দোলনের পর বুধবার সব কৃষক সংগঠনগুলি সভা করছে। কীভাবে আন্দোলন আরও বাড়ানো যায় তা নিয়ে আলোচনা চলছে। এই সভার পরেই জানা যাবে, কৃষকরা ‘সংসদ মার্চ’ করবেন কিনা।

উল্লেখ্য, প্রজাতন্ত্র দিবসে কৃষক সংগঠনগুলি ট্র্যাকটর মিছিল বের করেছিল। বেশ কয়েক দফার বৈঠকের পরে দিল্লি পুলিশ কৃষকদের কয়েকটি রুটে ট্র্যাক্টর প্যারেডের অনুমতি দেয়। কৃষকরাও জানিয়েছিল তাঁদের র‍্যালি হবে শান্তিপূর্ণ।

আরও পড়ুন – ‘অতিমারীকে হারানোর পথে রয়েছি আমরা’, WHO-র বৈঠকে বললেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী

তবে মঙ্গলবার প্রজাতন্ত্র দিবসে নানান উত্তেজক ঘটনার সাক্ষী থেকেছে দিল্লি। আইটিও, নাঙ্গলাই, সিংঙ্ঘু বর্ডার সহ একাধিক জায়গায় কৃষকেরা পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়ে পরে।

দিল্লি পুলিশ জানিয়েছে, এখনও পর্যন্ত গোটা ঘটনায় ২২টি এফআইআর দায়ের করা হয়েছে। দিল্লির ছটি জেলা মিলিয়ে এই এফআইআর দায়ের করা হয়। প্রজাতন্ত্র দিবসে কৃষক বিক্ষোভ যেভাবে উত্তাল হয়ে ওঠে, তাতে ১৫৩ জন পুলিশ কর্মী আহত হয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। অন্যদিকে দিল্লি জুড়ে আরও বেশি পরিমাণে আধাসামরিক বাহিনী মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্র।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।