নয়াদিল্লি: বিশ্ব জুড়ে উষ্ণায়ন যে ক্রমাগত একটা ভয়ঙ্কর চেহারা নিচ্ছে, সেই ছবিটা বেশ পরিস্কার। তবে এবার ভারতের জন্য বড়সড় ওয়ার্নিং দিচ্ছেন গবেষকরা। সেইসময় আসতে আর খুব বেশি দেরিও নেই।

ক্লাইমেট ইমপ্যাক্ট ল্যাব বলছে, ২১০০ সালে তীব্র দহনে ভারতে কয়েক লক্ষ মানুষের মৃত্যু হবে। আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে ভারত বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম জনসংখ্যার দেশে পরিণত হবে। তাই সামান্য তাপ মাত্রা বৃদ্ধির ফলেই ব্যাপক প্রভাব পড়বে বলে মনে করা হচ্ছে। প্রত্যেক বছর ভারতে ১৫ লক্ষ মানুষের মৃত্যু হবে বলে রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে।

গরম এতটাই বাড়বে যে ২১০০ সালের মধ্যে ভারতে প্রায় কয়েক লক্ষ মানুষের মৃত্যু হবে। তীব্র তাপপ্রবাহ চলবে গোটা দেশে। স্বাভাবিক তাপমাত্রা ২৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস থেকে বেড়ে ২৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছে যাবে।

দিল্লির ছবিটা হবে সবথেকে মারাত্মক। প্রায় ২২ গুণ বেড়ে যাবে দিল্লির তাপমাত্রা। একদিকে গ্রিন হাউস গ্যাল অন্যদিকে শুকনো ফসল পোড়ানোর দূষণ সব মিলিয়ে ত্রাহি অবস্থা তৈরি হবে দিল্লিতে।

তবে গরমে মৃত্যুর ঘটনা সবথেকে বেশি হবে ওড়িশাতে। রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে ২১০০ সালের মধ্যে ওড়িশায় গরমে মৃত্যুর সংখ্যা ৩০ গুণ বেড়ে যাবে। এছাড়াও আরও ছটি রাজ্যে বাড়বে দহনে মৃত্যুর ঘটনা। অন্যদিকে তাপমাত্রা বৃদ্ধির নিরিখে শীর্ষে থাকবে পঞ্জাব। ৮৫টি উষ্ণতম দিন দেখা দেবে পাঞ্জাবে। এই রাজ্যে স্বাভাবিক তাপমাত্রা হবে ৩২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বৃহস্পতিবার এই রিপোর্টটি পেশ করেন কেন্দ্রীয় জল শক্তি মন্ত্রকের মন্ত্রী গজেন্দ্র সিং।