নয়াদিল্লি: সত্তর আশির দশকে একবার ফিরে যেটে পারেন আজকের  প্রৌঢ়রা৷ যারা সেসময় রুবিক কিউব কেনার জন্য বাবা-মায়ের কাছে  বায়না করতেন তারা এদিন অনলাইনে বসে সেই  রুবিক কিউব নিয়ে খেলায় মাততে পারেন৷ছোটবেলায় অনেকেই ঘণ্টার পর ঘণ্টা কাটিয়ে দিতেন রুবিক কিউবের রঙ মেলাতে গিয়ে৷ উপর-নিচ বা নিচ–উপর, ঘড়ির কাঁটার অভিমুখ অথবা তার বিপরীত অভিমুখ নানা ভাবে ওই কিউবটাকে ঘুরিয়ে ফিরিয়ে কপালের ঘাম ঝরিয়ে এক একদিক করে গোটা কিউবের সব রঙ মেলানোর চেষ্টা চলত৷ সেটা এখন অনেকের কাছেই স্মৃতি ৷ আজও তাদের সেই কিউবের সমস্যার সমাধান মেলেনি৷
৪০ বছর পূর্তি উপলক্ষ্য  সোমবার গুগলের সার্চ ইঞ্জিনে ডুডুলে আনা হয়েছে রুবিক কিউবকে৷যাতে  হাতে ওই কিউব না থাকলেও অনলাইনে বসে বসে রুবিক কিউবেব সমস্যা সমাধানে মেতে ওঠা যাবে৷ ১৯৭৪ সালে হাঙ্গেরির  এনরো রুবিক এই বিশেষ কিউব আবিষ্কার করে৷ ছয় বছর বাদে ১৯৮০ সালে নতুন করে  রুবিক কিউব বাজারে আত্মপ্রকাশ করে একটা ধাঁধা স্বরূপ খেলনা হিসেবে৷তাই এবার ফাঁকা সময়ে অনলাইনে বসেই ছোটদের পাশাপাশি বড়রাও  রুবিক কিউব নাড়াচাড়াতে মেতে উঠতে পারেন৷ অনলাইনে খেলতে খেলতে আবার পুরনো সে দিনের কথা মনে করিয়ে দেবে আজকের শিশু কিশোরদের অভিভাবকদের৷
!

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ