গ্যাংটক: দুর্গাপুজোর আগে ভ্রমণপিপাসুদের জন্য সুখবর। ১০ অক্টোবর থেকে তাঁদের জন্য খুলে যাচ্ছে সিকিমের দরজা। পর্যটন স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে সিকিম সরকারের বৈঠকে এমন সিদ্ধান্তই হতে চলেছে। করোনা অতিমারীর জেরে কয়েক মাস ধরে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তায় ঘিরে ফেলা হয়েছে সিকিমকে।

তবে এবার শৈলরাজ্যে প্রবেশের ছাড়পত্র মিলছে। তবে উপযুক্ত সতর্কতা বিধি মেনে সীমিত ভাবেই পর্যটকদের জন্য দরজা খুলতে চায় তারা। হেলিকপ্টার পরিষেবাও চালু করা হচ্ছে।

জানা গিয়েছে, আপাতত বিদেশি পর্যটকদের জন্য সিকিম দরজা খুলছে না। শুধুমাত্র দেশীয় পর্যটকদের ছাড়পত্র দেওয়া হবে আগাম বুকিং এর ভিত্তিতে। বুকিং শুরু হবে ২৭ সেপ্টেম্বর থেকে।

বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়েছে, বিভিন্ন পর্যটন সংস্থা ও ট্যুর অপারেটরদের মাধ্যমে প্যাকেজ টুর অথবা নির্দিষ্ট পর্যটন কেন্দ্র আগে থেকে বুকিং করে রাখলে তবেই মিলবে রাজ্যে প্রবেশের ছাড়পত্র। সেই সঙ্গে প্রতিটি পর্যটককে করোনা নেগেটিভ শংসাপত্র সঙ্গে আনা এবং প্রয়োজনে যে কোনও জায়গায় তার প্রতিলিপি জমা দিতে রাজি থাকতে হবে।

আপাতত গোটা রাজ্যে আড়াই হাজার ঘর পর্যটকদের জন্য খোলা হবে। পর্যটক এর সংখ্যা রাজ্যে প্রতিদিন দ্বিগুণ হিসেবে পাঁচ হাজার পর্যন্ত অনুমতি দেওয়া হবে। যে কোনও হোটেল বা হোমস্টে-তে মোট থাকার ঘরের অর্ধেক পর্যন্ত প্রতিদিন অতিথি নেওয়া যাবে।

সাধারণত অক্টোবর থেকে ডিসেম্বর-জানুয়ারি পর্যন্ত সিকিমে ভিড় লেগে থাকে বাঙালি পর্যটকদের। কাজেই সিকিমের পর্যটন খুলে যাওয়ায় উপকৃত হবে পর্যটন শিল্পও।

এদিকে, শনিবার পর্যটন ব্যবসার সব স্তরের মোট ৫০টি সংগঠনের সঙ্গে বৈঠক করেন পর্যটনমন্ত্রী গৌতম দেব। সেখানে ঠিক হয়েছে, এক দিকে আর্থিক প্যাকেজে সহজে ঋণের পাশাপাশি কর ছাড়ের ব্যবস্থা করা হবে।

অন্য দিকে, হেল্প লাইন, মনিটরিং সেল থেকে জেলা পর্যটন বোর্ড গড়ে নজরদারির ব্যবস্থাও হবে। পর্যটনমন্ত্রী বলেছেন, “মুখ্যমন্ত্রী পর্যটন শিল্পকে বরাবর অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে দেখেন। করোনার জেরে শিল্পটার ভিত পুরো নড়ে গিয়েছে। একে ঠিক করার জন্য সরকারি স্তরে আমরা মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে কিছু কাজ করছি।”

প্রশ্ন অনেক-এর বিশেষ পর্ব 'দশভূজা'য় মুখোমুখি ঝুলন গোস্বামী।