ঢাকা: দু বছরের বেশি সময় ধরে আর্থিক দুর্নীতির মামলায় জেলে ছিলেন। অবশেষে মুক্তি পেলেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির সুপ্রিমো খালেদা জিয়া। তিনি প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী। পরিবারের তরফে বারবার দাবি করা হচ্ছিল খালেদা জিয়া অসুস্থ। তিনি বিদেশে গিয়ে চিকিৎসা করাতে চান। এদিকে জামিনও মিলছিল না। অবশেষে দেশজুড়ে করোনা সংক্রমণের আতঙ্কের মাঝে খালেদা জিয়াকে মুক্তি দেওয়া হয়।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রিজন সেল থেকে মুক্তি দেওয়ার পর পরিবারের সদস্যরা এবং বিএনপির মহাসচিব তাকে গ্রহণ করেন। বিবিসি জানাচ্ছে এই খবর। মুক্তির শর্ত হিসেবে বাড়িতেই থাকতে হবে খালেদা জিয়াকে। চিকিৎসা করাতে হবে দেশেই। ছয় মাস তিনি বিদেশে যেতে পারবেন না।

জিয়া এতিমখানা ট্রাস্ট ও জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় ১৭ বছরের কারাদণ্ড নিয়ে ২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে জেলে বন্দি ছিলেন খালেদা জিয়া। প্রথমে পুরান ঢাকার পরিত্যক্ত কেন্দ্রীয় কারাগারে রাখা হয় তাঁকে। পরে গত বছর এই নেত্রীকে বঙ্গবন্ধু মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে রেখে চিকিৎসা করানো হচ্ছিল । খালেদা জিয়ার দল বিএনপির অভিযোগ, নেত্রীকে সক্রিয় রাজনীতি থেকে দূরে রাখতেই আওয়ামী লীগ সরকার ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই পন্থা নিয়েছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.