সিঙ্গাপুর: এশিয়ার অর্থনৈতিক ‘শের’ হল সিঙ্গাপুর। মঙ্গলবার সিঙ্গাপুরের প্রধানমন্ত্রী লি হিসেন লুংয়ের সঙ্গে মধ্যাহ্নভোজের আসরে এমনই মন্তব্য করলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তিনি বলেন, “কেবল গুজরাটে এশিয়াটিক শের খুঁজে পাওয়া যেতে পারে, কিন্তু এশিয়ার অর্থনৈতিক শের এখানেই, সিঙ্গাপুরে।’’ শুধু তাই নয়, পরিবর্তিত ভারতের বিভিন্ন ক্ষেত্রে সিঙ্গাপুর বড় সহযোগী বলেও মন্তব্য করেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী।

তবে কেবল মন্তব্য করেই থেমে থাকেননি নরেন্দ্র মোদী। সিঙ্গাপুর সফরের দ্বিতীয় দিনে লি হিসেন লুংয়ের সঙ্গে ১০টি নতুন দ্বিপাক্ষিক চুক্তিও করেন তিনি। যার মধ্যে তথ্য-প্রযুক্তি, বিজ্ঞান, জাহাজ, বিমান পরিষেবা, মহাকাশ গবেষণা, ভেষজ বিজ্ঞান,  আয়ুর্বেদ এবং সাইবার সিকিউরিটি সহ গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রগুলি রয়েছে। বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র বিকাশ স্বরূপ জানান, সাইবার সিকিউরিটি নিয়ে সিঙ্গাপুরের সঙ্গে ভারতের একটি মউ স্বাক্ষরিত হয়েছে। এই মউ অনুসারে, সাইবার আক্রমণ, সাইবার নিরাপত্তা সহ সাইবারের বিভিন্ন বিষয়ে দু’পক্ষই মতামত আদানপ্রদান এবং সহযোগিতা করবে। এছাড়া নীতি আয়োগ এবং এসসিই (সিঙ্গাপুর কর্পোরেশন এন্টারপ্রাইজ), বিমান পরিষেবা, মাদক দ্রব্য বা চেতনানাশক ওষুধ, নগরোন্নয়ন এবং আইটি ক্ষেত্রেও মউ স্বাক্ষর করেছে ভারত এবং সিঙ্গাপুর। রাজনীতি থেকে শুরু করে প্রতিরক্ষা, নিরাপত্তা, অর্থনৈতিক, এবং সাংস্কৃতিক- সমস্ত ক্ষেত্রেই ভারত এবং সিঙ্গাপুর, একে-অপরকে সবদিক থেকে সহযোগিতা করবে বলে দু’পক্ষই জানান।

এদিন মউ স্বাক্ষরের পর ১৮৪৯ সালের সিঙ্গাপুরের মানচিত্র লি হিসেন লুংকে উপহার দেন নরেন্দ্র মোদী। এরপর তিনি মধ্যাহ্নভোজ সেরে সিঙ্গাপুরে অবস্থিত ভারতের জাতীয় সেনাসৌধে যান এবং সেখানে গিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

 

পচামড়াজাত পণ্যের ফ্যাশনের দুনিয়ায় উজ্জ্বল তাঁর নাম, মুখোমুখি দশভূজা তাসলিমা মিজি।