প্রতীতি ঘোষ, হাবড়া : সাত বছরের সন্তানসহ বাবার মৃতদেহ উদ্ধার হওয়ার ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়ালো উত্তর ২৪ পরগনার হাবড়াতে। ছেলেকে মারধর করে গলায় ফাঁস দিয়ে খুন করে আত্মঘাতী বাবা। পারিবারিক অশান্তির জেরেই এই ঘটনা ঘটেছে মনে করছেন প্রতিবেশীরা।

বৃহস্পতিবার দুপুরে ঘটনাটি ঘটেছে হাবড়ার শ্রীনগর এলাকায়। মৃতেরা হল উদৃত ঘোষ (৭) ও তার বাবা উত্তম ঘোষ (৩৪)। ছেলে উদৃত প্রথম শ্রেণীতে ভর্তি হওয়ায় স্কুলে বই আনতে গিয়েছিল তার মা। স্কুলে গিয়ে বই আনার কার্ড না পেয়ে স্বামীকে ফোন করতে থাকেন।

কিন্তু ফোন না ধরায় এদিন দুপুর দেড়টা নাগাদ মৃতের স্ত্রী তানিয়া ঘোষ হাবড়ার প্রফুল্লনগর এলাকায় একটি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে শ্রীনগরের বাড়িতে চলে আসে। বাড়িতে ফিরে তিনি দেখতে পান কলাপসিবল গেটের তালা লাগানো দরজা ভেতর থেকে দেওয়া রয়েছে ডাকাডাকি করে কোন সাড়া শব্দ না পেয়ে এলাকার বাসিন্দাদের সহযোগিতায় দরজা খুলে দেখতে পায় উদৃত খাটের উপরে পড়ে রয়েছে।

ঘরের সিলিং এর সঙ্গে মাফলারের ফাঁস দেওয়া অবস্থায় উত্তম ঝুলছে । তড়িঘড়ি দুজনকে নিয়ে যাওয়া হয় হাবড়া স্টেট জেনারেল হাসপাতালে । সেখানে ডাক্তার দু’জনকেই মৃত বলে ঘোষণা করে ।

উত্তমের স্ত্রী তানিয়া জানায় স্বামী পোশাক তৈরির ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত ছিল । ইদানিং দেনায় পড়েছিল । তবে দেনা মেটানোর জন্য তার বাপের বাড়ি এবং ব্যাংকে থাকা টাকা থেকে সহযোগিতা করা হচ্ছিল । তবে কি কারণে এ ধরনের ঘটনা ঘটল তিনি বুঝতে পারছেন না ।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।