বনগাঁ: আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের জন্য ৩৭ দিন পর শুরু হয়েছে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত বানিজ্য৷ লকডাউনের মধ্যেই পেট্রাপোল সীমান্ত খুলে দেওয়ার জন্য কেন্দ্রের সিদ্ধান্তে ক্ষুব্ধ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷ সূত্রের খবর,বৃহস্পতিবার সকালে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের পেট্রাপোল বন্দর দিয়ে আমদানি-রপ্তানি শুরু হয়েছে৷ জিরো পয়েন্টে ট্রাকগুলি থেকে পণ্য ওঠানো-নামানোর কাজ হবে।

এদিন বিকেল পর্যন্ত কেবল একটি মাত্র ট্রাকের পণ্য রপ্তানি করা সম্ভব হয়েছে বলে জানা গিয়েছে৷ তবে মাস্ক পরেই জিরো পয়েন্টে ট্রাকে পণ্য ওঠানো-নামানোর কাজ করলেন শ্রমিকরা৷ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অভিযোগ, রাজ্যের সঙ্গে আলোচনা না-করেই পেট্রাপোল সীমান্ত বাণিজ্য খুলে দিয়েছে কেন্দ্র৷ এর ফলে করোনা সংক্রমণের আশঙ্কা রয়েছে৷

অন্যদিকে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক এর অভিযোগ,রাজ্য সরকার কোনও রকম আইনি বিজ্ঞপ্তি জারি না করে একতরফা সীমান্ত বন্ধ করেছে৷ জানা গিয়েছে গত বুধবার ভারত ও বাংলাদেশ সরকারের প্রতিনিধিদের মধ্যে একটি জরুরি বৈঠক হয়৷ তার পরেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় আমদানি-রপ্তানির জন্য ভারত-বাংলাদেশ পেট্রাপোল সীমান্ত খুলে দেওয়া হবে৷ তবে আপাতত অত্যাবশ্যক পণ্যের আদানপ্রদান হবে৷

পরিস্থিতি অনুযায়ী পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে৷ বুধবার বৈঠকে বসেন পেট্রাপোল সিঅ্যান্ডএফ স্টাফ ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক কার্তিক চক্রবর্তী ও আমদানি-রপ্তানি সমিতির সভাপতি পরিতোষ বিশ্বাস।

বেনাপোল বন্দরের তরফে ছিলেন রপ্তানি সমিতির সহ-সভাপতি আমিনুল হক, সিঅ্যান্ডএফ অ্যাসোসিয়েশনের সহ-সভাপতি কামালউদ্দিন শিমুল ও সিঅ্যান্ডএফ স্টাফ এজেন্ট ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক সাজেদুর রহমান।

সেই বৈঠকেই পরীক্ষামূলকভাবে সীমান্তবাণিজ্য শুরুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। করোনা পরিস্থিতিতে মার্চের মাঝামাঝি সময়ে ভারত-বাংলাদেশের সংযোগকারী পেট্রোপোল স্থলবন্দর সাধারণ যাত্রীদের জন্য বন্ধ করে দেওয়া হয়। কয়েকদিন পর সীমান্ত বাণিজ্যও বন্ধ হয়ে যায়।যার ফলে দু’পারে আটকে পড়ে বহু পণ্যবাহী ট্রাক। প্রবল সমস্যায় পড়েন সীমান্ত বাণিজ্যে যুক্ত কয়েক হাজার শ্রমিক৷ ওই শ্রমিকদের কথা ভেবে খুলে দেওয়া হল পেট্রাপোল সীমান্ত বানিজ্য৷

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ