শীত পরার সঙ্গে সঙ্গে শুষ্কতাও আমার-আপনার সকলের নিত্যসঙ্গী৷ কখনও পা ফাটছে, তো কখনও ঠোঁট৷শুষ্ক ত্বক আর ফাটার সমস্যায় নাজেহাল হয়ে কীভাবে তা আটকাবেন ভাবতে ভাবতে ইতিমধ্যেই বাজারের সবকটা  লিপবাম ঘুরিয়ে-ফিরিয়ে ব্যবহার করে ফেলছেন৷ অগত্যা উপায়?

১) ঠোঁটে সবসময়  ভালো কোম্পানির লিপবাম লাগান৷ না হলে ত্বকের সমস্যা হতে পারে৷লিপবাম কেনার সময় দেখবেন তাতে এসপিএফ রয়েছে কি না৷ কারণ শীতকালেও সানবার্নের হাত থেকে বাঁচাটা জরুরি৷তাই লিপবার্মে সান প্রোটেকশন ফ্যাক্টর ও ময়েশ্চারাইজার রয়েছে কি না দেখে কিনবেন৷

২) ঠোঁট ফাটার অন্যতম কারণ শরীরের ডিহাইড্রেশন৷ আর শীতে এমনিতেই জল খাওয়া কম হলে শরীরের শুষ্কতা বেড়ে যায়৷ তাই চেষ্টা করুন প্রতিদিন অন্তত আড়াই থেকে তিন লিটার জল খেতে৷লোকের সামনে বার বার ঠোঁট ফাটা নিয়ে লজ্জায় পড়তে হবে না৷

৩) অনেকে ঠোঁট ফাটার হাত থেকে রক্ষা পেতে কিছুক্ষণ পরপরই জিভের লালা দিয়ে ঠোঁট ভিজিয়ে থাকেন। এটা খুবই অশোভন ব্যাপার৷ এতে সমস্যার সামধান তো হয়ই না, উল্টে আরও বেশি করে ঠোঁট ফাটার সমস্যা আপনাকে ভোগায়৷

৪) ঠোঁটকেও আলাদাভাবে রাখুন পরিচ্ছন্ন৷ এজন্য ঘরেই বানাতে পারেন বিশেষ প্যাক৷ মধু ও লেবুর রসের বিশেষ প্যাক ঠোঁটের ক্লিনজার হিসেবে কাজ করে। এ ছাড়া গ্লিসারিন, জলপাই তেল একসঙ্গে মিশিয়ে কাচের বোতলে করে ফ্রিজে রাখতে পারেন। ঠোঁট শুষ্ক হলেই এই মিশ্রণ অল্প অল্প করে লাগান৷

৫) শীতকালে কখনওই ম্যাট লিপস্টিক লাগাবেন না৷ এতে ঠোঁট আরও বেশি করে শুকিয়ে যায়৷এসময় লিপগ্লস বা ময়েশ্চারাইজার-যুক্ত লিপস্টিক ব্যবহার করবেন৷আর্দ্রতা বজায় থাকবে৷

৬) রাতে ঘুমোতে যাওয়ার আগে ত্বকের পাশাপাশি ঠোঁটেও ভালো করে ময়েশ্চারাইজার লাগান৷ প্রয়োজনে ব্যবহার করতে পারেন অলিভ অয়েলও৷তবে অ্যালার্জি থাকলে লাগাবেন না৷

৭) যেখানেই যাবেন পার্সে সবসময় রাখুন ছোট ভেসলিন বা বোরেলীন৷ কিছুক্ষণ পর পর ঠোঁট শুকিয়ে গেলে লাগাতে পারেন৷

৮) শীতে কখনও যদি দেখেন ঠোঁটে কালো কালো ছোপ পরতে শুরু করেছে, তা হলে কালবিলম্ব না করে অবিলম্বে ডার্মাটোলজিস্টের কাছে যান৷