স্টাফ রিপোর্টার,মহিষাদল: ইতিমধ্যে কেন্দ্র সরকারের তরফ থেকে রেলকে বেসরকারীকরনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আর এরই প্রতিবাদে রাজ্যের শাসক দল তৃণমূলের তরফ থেকে মঙ্গলবার রাজ্যজুড়ে প্রতিটি স্টেশনে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করে। সেইমতো মঙ্গলবার সকাল থেকে পূর্ব মেদিনীপুর জেলার বিভিন্ন স্টেশনে তৃণমূল কংগ্রেসের তরফ থেকে চলে দফায় দফায় বিক্ষোভ কর্মসূচি।

এদিন সকালে পূর্ব মেদিনীপুর জেলার মহিষাদল ব্লকের সতীশ সামন্ত হল্ট রেল স্টেশনে বিক্ষোভ দেখায় তৃণমূল কংগ্রেসের নেতা কর্মীরা। এদিন উপস্থিত ছিলেন মহিষাদল ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি তিলক কুমার চক্রবর্তী সহ অন্যান্য নেতৃত্বরা।

ব্লক সভাপতি তিলক কুমার চক্রবর্তী বলেন, “কেন্দ্রের এমন খামখেয়ালি সিদ্ধান্তের জন্য আমাদের এই প্রতিবাদ”।

অন্যদিকে,১০৯টি রেল বেসরকারিকরণের প্রতিবাদে গোটা রাজ্য জুড়ে অবস্থান বিক্ষোভের ডাক দিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। সম্প্রতি, কলকাতা থেকে ভিডিও কনফারেন্সে দলীয় নেতাকর্মীদের সামনে কেন্দ্রের বিরুদ্ধে ধারাবাহিক কর্মসূচির তালিকা দেন মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃনমুল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

এদিন সেই মতো গোটা রাজ্যের পাশাপাশি জলপাইগুড়িতেও রেলের বেসরকারিকরণের প্রতিবাদে অবস্থান বিক্ষোভে বসে জলপাইগুড়ি শহর ব্লক তৃনমুল যুব কংগ্রেস এবং শহর ব্লক মহিলা তৃনমুল কংগ্রেস। জলপাইগুড়ি টাউন স্টেশনের মুখ্য ফটক আটকে অবস্থান বিক্ষোভ দেখান তৃণমূলের নেতা কর্মীরা।

বিক্ষোভের শুরুতে রেলমন্ত্রী পীযূষ গোয়েলের কুশপুত্তলিকা দাহ করা হয়। দীর্ঘ লকডাউনের পর দিনকয়েক ধরে নাড়াচাড়া দিয়ে উঠেছে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল। আসন্ন বিধানসভা ভোটের কথা মাথায় রেখেই ঘর গোছাচ্ছে সবাই। করোনা আবহে ২১শে জুলাই ভার্চুয়াল সভা করতে চলেছে তৃণমূল।

কিন্তু সেই ফাঁকে যাতে জনসংযোগে কোনও ঘাটতি না থাকে এবং কেন্দ্রের সমস্ত জনবিরোধী কাজ কে হাতিয়ার করা যায় তাই রেলের বেসরকারিকরণ, পেট্রোপন্যের মূল্যবৃদ্ধির মতো ইস্যু নিয়ে মাঠে নেমেছে দল।

এদিনের কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন জেলা যুব তৃণমূলের সভাপতি সৈকত চট্টোপাধ্যায়, জলপাইগুড়ি পুরসভার পুর প্রশাসক মণ্ডলীর প্রধান পাপিয়া পাল, তৃনমূল নেতা সন্দিপ মাহাতো, বিশ্বজিৎ সরকার, নিপু শাহ, তপন বন্দোপাধ্যায় , জয়ন্ত ভৌমিক প্রমুখ।

কর্মসূচি থেকে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে জেলা যুব তৃণমূলের সভাপতি সৈকত চট্টোপাধ্যায় জানান, কেন্দ্রের সরকার জনবিরোধী কার্যকলাপ করছে। সরকারি সম্পত্তি বিক্রি করে দলীয় তহবিল ভরছে। দেশের পক্ষে বিজেপি বিপজ্জনক। তাই বিজেপির হাত থেকে দেশকে রক্ষা করা প্রয়োজন। সাধারণ মানুষ যাতে এই বিষয়গুলিতে সচেতন হন তাই এই অবস্থান বিক্ষোভ বলে জানান তিনি।

স্বামীর সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে বস্ত্র ব্যবসাকে অন্যমাত্রা দিয়েছেন।'প্রশ্ন অনেকে'-এ মুখোমুখি দশভূজা স্বর্ণালী কাঞ্জিলাল I