স্টাফ রিপোর্টার, বাঁকুড়া: সকাল থেকে ঘন কুয়াশার চাদরে মুড়ে রয়েছে বাঁকুড়া। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে কুয়াশার দাপট বাড়ছে। কমছে দৃশ্যমাণতা। সকাল থেকে পথে নামা অধিকাংশ যাত্রী ও পণ্যবাহি যানবাহনকে সাত সকালে রাস্তায় বেরিয়ে আলো জ্বালিয়ে যাতায়াত করতে হচ্ছে।

বাস চালকরাও জানিয়েছেন, এই অবস্থায় রাস্তার বেরোনোই অসম্ভব হয়ে পড়েছে। মাত্র দশ-বিশ হাতের বেশী দেখা যাচ্ছেনা।যাত্রী সাধারণের নিরাপত্তার কথা ভেবে খুব সাবধানে গাড়ি চালাতে হচ্ছে। ফলে নির্দিষ্ট সময়ে গন্তব্যে পৌঁছানো অসম্ভব বলে তারা জানিয়েছেন।

প্রাতঃভ্রমণকারীরাও জানিয়েছেন, সাম্প্রতিক সময়ের সব থেকে বেশী কুয়াশা এদিন দেখা যাচ্ছে। রাস্তায় বেরোনো সাধারণ বাস যাত্রীরাও সঠিক সময়ে তার গন্তব্যে পৌঁছাতে পারবেননা বলে মনে করছেন।

এদিকে হাওয়া অফিসের পূর্বাভাস অনুযায়ী, শুক্রবার রাত থেকেই কমতে শুরু করেছে তাপমাত্রা। জানুয়ারির শেষ সপ্তাহে এসেও নিজের ভাবমূর্তি বেশ ভালো ভাবেই ধরে রেখেছে শীতল আবহাওয়া। তবে আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, রবিবার থেকেই বাড়বে তাপমাত্রার পারদ। তার আগেই নিজের সর্বশেষ শক্তি প্রয়োগের পথে শীত।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

জীবে প্রেম কি আদৌ থাকছে? কথা বলবেন বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞ অর্ক সরকার I।