ফাইল ছবি

তিমিরকান্তি পতি, বাঁকুড়া : উচ্চ প্রাথমিকে নিয়োগ বিধি মেনে প্রশিক্ষনহীন শূণ্য পদে ভেরিফিকেশান সম্পন্ন হওয়া যোগ্য সংরক্ষিত শ্রেণীর অপ্রশিক্ষিত প্রার্থীদের দ্রুত ইন্টারভিউ সহ নিয়োগের দাবীতে’ গণ ডেপুটেশন ও বিক্ষোভ কর্মসূচী আদিবাসী সংগঠনের।

বাঁকুড়ায় স্কুল সার্ভিস কমিশনের ওয়েস্টার্ণ রিজিওন্যাল অফিসের সামনে আপার প্রাইমারী বঞ্চিত আদিবাসী যোগ্য আনট্রেণ্ড ঐক্য মঞ্চ (খেরওয়াল বাখোল)-র পক্ষ থেকে বিক্ষোভ কর্মসূচীর পাশিপাশি গণডেপুটেশন দেওয়া হয়। এই আন্দোলন কর্মসূচীকে সমর্থণ জানিয়ে ভারাত জাকাত মাঝি পারগানা মহল, ভারত জাকাত সান্তাড় পাঠুয়ৌ গাঁওতা, তপশীল ফেডারেশন সহ অন্যান্য আদিবাসী সংগঠনের সদস্যারা উপস্থিত ছিলেন।

আন্দোলনকারী আদিবাসী সংগঠনটির তরফে দাবি করা হয়েছে, স্কুল সার্ভিস কমিশনের চুড়ান্ত গাফিলতি ও দীর্ঘ আইনী সমস্যায় উচ্চ প্রাথমিকে নিয়োগ প্রক্রিয়া থমকে আছে। উচ্চ প্রাথমিকে ডকুমেন্ট ভেরিকেশানে ডাক পাওয়া সত্বেও ইন্টারভিউতে ডাক না পেয়ে হতাশায় ভূগছেন অনেকে।

পাশাপাশি বেকারত্বের যন্ত্রণাও বাড়ছে। নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষে শূণ্য পদ থাকা সত্বেও সংরক্ষিত যোগ্য আনট্রেণ্ড প্রার্থীদের ইন্টারভিউ থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে অভিযোগ করে তীব্র আন্দোলনের ডাক দিয়েছে ঐ আদিবাসী সংগঠনটি। এদিনের বিক্ষোভ কর্মসূচী ও ডেপুটেশন কর্মসূচীতে অংশ নিয়ে শৈলেন বেসরা, সঞ্জয় মাণ্ডিরা বলেন, দীর্ঘ সাত বছর আগে এসএসসি থেকে নোটিফিকেশান জারি হয়।

শূণ্যপদে নিয়োগের পর আসন খালি থাকলে অপ্রশিক্ষিত প্রার্থীদের নিয়োগের কথা বলা হয়েছিল। কিন্তু শূণ্যপদ থাকলেও সেই কথা রাখা হয়নি। এই নিয়েই দীর্ঘদিন ধরে তারা আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন। কাজ হয়নি। অবিলম্বে দাবি পূরণ না হলে বৃহত্তর আন্দোলনের হুমকি তারা দেন।

তপশীল ফেডারেশনের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক মৃত্যুঞ্জয় মল্লিক এই আন্দোলনকে সমর্থণ জানিয়ে অভিযোগ করে বলেন, ‘আর্থিক লেনদেনের মাধ্যমে শিক্ষক নিয়োগ হয়েছে’। আজকে বাঁকুড়ায় যে আন্দোলন শুরু হয়েছে তা রাজ্যের প্রতিটি প্রান্তে এমনকি নবান্ন পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়বে বলে তিনি দাবি করেন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনাকালে বিনোদন দুনিয়ায় কী পরিবর্তন? জানাচ্ছেন, চলচ্চিত্র সমালোচক রত্নোত্তমা সেনগুপ্ত I