বার্সেলোনা: ওসাসুনা ম্যাচে গোলের পর প্রয়াত ফুটবলের রাজপুত্র দিয়েগো মারাদোনাকে শ্রদ্ধা জানিয়ে জরিমানার কবলে লিওনেল মেসি। তবে মেসি একা নন, জরিমানার কবলে পড়তে হল গোটা বার্সেলোনা দলকেই। ম্যাচ জার্সি খুলে মারাদোনাকে গোল উৎসর্গ করায় শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগে লিওনেল মেসিকে ৬০০ ইউরো জরিমানা করেছে লা লিগা কর্তৃপক্ষ।

অন্যদিকে মেসি ছাড়াও বার্সেলোনা দলের জরিমানার অঙ্কটা ১৮০ ইউরো। অর্থাৎ মেসি সহ বার্সেলোনার জরিমানার সর্বমোট অঙ্কটা ৭৮০ ইউরো। উল্লেখ্য, গত রবিবার ওসাসুনা ম্যাচে গোলের পর সেলিব্রেশনের মধ্যে দিয়ে প্রয়াত মারাদোনাকে শ্রদ্ধা জানিয়ে হলুদ কার্ডও দেখতে হয়েছিল মেসিকে। অথচ মারাদোনার নাম লেখা নিউওয়েল’স ওল্ড বয়েজের জার্সিতে গোলের পর মেসির সেলিব্রেশন উৎসর্গ বিশ্বজুড়ে ফুটবল অনুরাগীদের বাহবা কুড়িয়ে নিয়েছিল। তারা কুর্নিশ জানিয়েছিলেন আর্জেন্তাইন তারকাকে। এমনকি বার্সেলোনার তরফ থেকে এই সেলিব্রেশনের জন্য মেসিকে দেখানো হলুদ কার্ড প্রত্যাহারের দাবিও জানানো হয়েছিল।

এব্যাপারে বার্সেলোনা কর্তারা অতীতে রিয়াল মাদ্রিদ তারকা সার্জিও রামোসের উদাহরণ তুলে ধরতে চেয়েছিলেন। ২০০৭ সালে সেভিয়ার ফুটবলার আন্তোনিয়ো পুয়ের্তার স্মরণে নিজের জার্সি খুলে সেভিয়ার জার্সি পরেছিলেন র‌্যামোস। তাঁকেও সেই সময়ে হলুদ কার্ড দেখানো হয়। পরে রিয়াল মাদ্রিদের অনুরোধে হলুদ কার্ড প্রত্যাহার করে নিয়েছিল লা লিগা কমিটি। কিন্তু সহানুভূতি জ্ঞাপন করলেও এযাত্রায় বার্সার আবেদনে সাড়া দেয়নি লা লিগা কর্তৃপক্ষ। তাদের কথায় উদ্দেশ্য যাই হোক, ডিসপ্লিনারি কোডের ৯৩ ধারায় স্পষ্ট নির্দেশ আছে কোন ফুটবলার গোলের জার্সি খুলে সেলিব্রেশন করলে তার শাস্তি প্রাপ্য।

উল্লেখ্য, রবিবার গোলের পর জার্সি খুলে ফেলেন মারাদোনার উত্তরসূরি৷ পরনে ছিল পূর্বসুরি মারাদোনার স্মরণে নিওয়েলস ওল্ড বয়েজের ১০ নম্বর জার্সি। আর্জেন্তিনার এই দল থেকেই ন্যু কাম্পে যোগ দিয়েছিলেন মেসি৷ আর্জেন্তিনার দুই মহাতারকাই তাঁদের দেশের ক্লাব নিউওয়েলস ওলেড বয়েজ দলের হয়ে খেলেছেন। সেই ক্লাবেরই ১০ নম্বর জার্সি পরে আকাশের দিকে দু’হাত তুলে সদ্যপ্রয়াত কিংবদন্তিকে সম্মান জানান মেসি। ১৯৯৩ সালের ৭ অক্টোবর নিওয়েলস ওল্ড বয়েজের হয়ে মারাদোনার অভিষেক ম্যাচে উপস্থিত ছিলেন সেদিনের ছোট্ট মেসি। গোল পেয়েছিলেন আর্জেন্তিনার ১৯৮৬ বিশ্বকাপ জয়ের মহানায়ক মারাদোনা।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।