প্রতীতি ঘোষ, বারাকপুর: উত্তর ২৪ পরগণার জগদ্দলে গঙ্গায় নেমে ডুবতে থাকা মাকে বাঁচাতে গিয়ে জোয়ারের জলে ভেসে গেল নাবালক ছেলে। মর্মান্তিক এই ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর ২৪ পরগনার জগদ্দল থানার অন্তর্গত মেঘনা মিল সংলগ্ন গঙ্গার ঘাটে। নিখোঁজ নাবালক ছেলেটির নাম নীরজ পাশোয়ান (১৪)। সে অষ্টম শ্রেণীর ছাত্র বলে জানা গিয়েছে।

এদিকে স্থানীয় বাসিন্দাদের তৎপরতায় নীরজের মাকে জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে । জগদ্দল থানার পুলিশ এই ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। স্থানীয় সূত্রের খবর, গণেশ চতুর্থী উপলক্ষে পুজোর সামগ্রী নিয়ে গঙ্গায় এসেছিল ভাটপাড়া পুরসভার ১৮ নম্বর ওয়ার্ডের মেঘনামোড় এলাকার বাসিন্দা অষ্টম শ্রেণীর ছাত্র নীরজ পাশোয়ান ও তার মা।

নীরজের মা প্রথমে গঙ্গায় নেমে ছিল বলে জানা যায়। হঠাৎ তার পা হড়কে গেলে সে গঙ্গায় পড়ে গিয়ে চিৎকার করতে শুরু করে। এরপর নীরজ তার মাকে গঙ্গায় নেমে তুলতে গেলে সে গঙ্গায় প্রবল জোয়ারের স্রোতের জলে ভেসে চলে যায়। গঙ্গার ঘাটে শনিবার সকালে স্নান করতে আসা স্থানীয় বাসিন্দারা জল থেকে জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করে নীরজের মাকে।

খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন স্থানীয় ভাটপাড়ার বিধায়ক পবন সিং। তিনি নিজে দ্রুত ডুবুরির ব্যবস্থা করেন। স্পিড বোট নিয়ে এসে নিখোঁজ অষ্টম শ্রেণীর ওই ছাত্রের খোঁজ শুরু করে পুলিশ । তবে শনিবার বিকেল পর্যন্ত নীরজ পাশোয়ানের সন্ধান পাওয়া যায় নি।

জানা গিয়েছে নিখোঁজ ওই নাবালক ঠিকমত সাঁতার কাটতে জানত না। এই ঘটনা প্রসঙ্গে স্থানীয় বিধায়ক পবন সিং বলেন, “পুলিশ উদাসীন, আমি নিজে পুলিশকে ফোন করে বিষয়টা জানিয়েছিলাম। ওরা দ্রুততার সঙ্গে কাজ করছে না। উৎসবের দিনে এই ঘটনা খুবই দুঃখজনক। চেষ্টা চলছে নিখোঁজ ওই ছাত্রকে যাতে জল থেকে কোন ভাবে উদ্ধার করা সম্ভব হয় ।”

গণেশ চতুর্থীর সকালে মর্মান্তিক এই ঘটনায় শোকের ছায়া নেমে আসে ভাটপাড়া পুরসভার ১৮ নম্বর ওয়ার্ডে । জগদ্দল থানার পুলিশ গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে ।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।