আংকারা:  বহুসংখ্যক মসজিদ বন্ধ এবং এসব মসজিদের ইমামদের বহিষ্কারের বিষয়ে অস্ট্রিয়া সরকারের নেওয়া সিদ্ধান্তে বিশ্বে ধর্মযুদ্ধ শুরু হতে পারে। এমনটাই আশঙ্কা প্রকাশ করলেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়্যেব এরদোগান।

অস্ট্রিয়ার সরকার দেশের মধ্যে সাতটি মসজিদ বন্ধ করে দেওয়ার ঘোষণা করেছে। পাশাপাশি ৬০ জন ইমামকে দেশ থেকে বের করার বিষয়টি খতিয়ে দেখছে বলেও জানিয়েছে। শুক্রবার যৌথ সংবাদ সম্মেলনে অস্ট্রিয়ার চ্যান্সেলর সেবাস্তিয়ান কুর্জ বলেন, দেশের মধ্যে রাজনৈতিক ইসলামের কোনও স্থান নেই। এই প্রসঙ্গে এরদোগান ইস্তাম্বুলে বলেন, “অস্ট্রিয়ার সরকার যেসব পদক্ষেপ নিয়েছে তাতে আমি আশংকা করি বিশ্ব একটি যুদ্ধের দিকে এগিয়ে যাবে। যাতে জড়িয়ে পড়বে ‘ক্রুশ ও ক্রিসেন্ট’র অনুসারিরা।” তুর্কি প্রেসিডেন্ট আরও বলেন, “তারা বলছেন যে, তারা আমাদের ধর্মীয় ব্যক্তিদের অস্ট্রিয়া থেকে বহিষ্কার করে দেবেন। আপনারা কী মনে করেন যে, এ ধরনের পদক্ষেপ নিলে আমরা কোনও প্রতিক্রিয়া দেখাব না? আমরাও একই ব্যবস্থা নিতে যাচ্ছি।”

অস্ট্রিয়ার সরকার যে সাতটি মসজিদ বন্ধের পদক্ষেপ নিয়েছে তার মধ্যে তিনটি রয়েছে ভিয়েনায়। এসব মসজিদের কোনও কোনোটির ওপর তুরস্কের ডানপন্থি সংস্থা কথিত ‘গ্রে উলফের’ প্রভাব থাকার অজুহাত দিচ্ছে ভিয়েনা সরকার। অস্ট্রিয়ায় প্রায় ছয় লাখ মুসলমানের বসবাস রয়েছে। দেশটির সরকার এসব মুসলমানের বিরুদ্ধে নানামুখী পদক্ষেপ নিচ্ছে। ২০১৭ সালে ভিয়েনা সরকার মুসলিম নারীদের প্রকাশ্যে বোরখা ও নিকাব পরার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে আইন পাস করেছে। এই আইন অমান্যকারী মহিলাদেরকে পুলিশ আটক করতে পারবে এবং ১৫০ ইউরো বা ১৮০ ডলার জরিমানা করতে পারবে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.