বালুরঘাট ও জলপাইগুড়ি : ট্রেড ইউনিয়ন ও শ্রমিক সংগঠন গুলির ডাকা সাধারণ ধর্মঘটে মিশ্র প্রভাব পড়ল দক্ষিণ দিনাজপুরে। কেন্দ্রীয় সরকারের দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদ ও সেইসঙ্গে বেকারদের কর্মসংস্থানের দাবিতে ডাকা এই বনধ-এ জেলা সদর বালুরঘাটে বড় বাজারে মাছ ও সব্জী বাজার খোলা রয়েছে।

জেলার গুরুত্বপূর্ণ রুট গুলিতে চলছে সরকারী বাস। পাশাপাশি চলছে অটো ও টোটো। শুধু বাজারই নয় সকাল থেকেই খোলা রয়েছে চায়ের দোকান গুলি। অন্য দিকে ব্যাংক পোস্ট অফিস না খুললেও রাজ্য সরকারী অফিস গুলিতে অন্যান্য দিনের মতোই কর্মী আধিকারিকদের উপস্থিতি স্বাভাবিক।

প্রাক্তন মন্ত্রী সিপিআইএম-এর নারায়ন বিশ্বাসের নেতৃত্বে বন্ধ সর্মথকরা বালুরঘাটে জেলা প্রশাসনিক ভবন সহ বিভিন্ন এলাকায় পিকেটিং করেন। সব মিলিয়ে দক্ষিণ দিনাজপুরে বৃহস্পতিবারের সাধারণ ধর্মঘটের মিশ্র প্রভাব লক্ষ্য করা গিয়েছে।

অন্যদিকে, বনধ সমর্থকদের গাড়ি আটকানোর ঘটনায় উত্তেজনা ছড়ায় জলপাইগুড়ি ডেঙ্গুয়াঝাড় চা বাগান সংলগ্ন এলাকায়। এদিন বনধ সফল করতে পথে নেমে রাস্তার গাড়ি আটকায় বাম ও কংগ্রেসের যৌথ নেত্রীত্ব। সঙ্গে সঙ্গে সেখানে উপস্তিত হয় বিশাল পুলিশ বাহিনী।

বনধ সমর্থকদের হঁটিয়ে দিয়ে গাড়ি চলাচল স্বাভাবিক করে পুলিশ। তবে এদিন সকাল ৯ টা পর্যন্ত এলাকর সমস্ত দোকান বন্ধ থাকলেও , ধীরে ধীরে তা খুলতে শুরু করে। এছাড়াও অভিযোগ ওঠে, জোর করে দোকান বন্ধ করা হয়েছে। যদিও অভিযোগ অস্বীকার করেন বনধ সমর্থকেরা।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।