বিদ্যা বালান কবিতা লেখেন৷ বা মালাইকা অরোরা খান বাগান করেন৷ কিংবা সলমন খান ছবি আঁকেন৷ শুনতে অবাক লাগলেও চরম ব্যস্ততার মধ্যেও নিজেদের শখ বজায় রেখেছেন এই বলি সেলেবরা৷

বিদ্যা বালান তুখোড় অভিনেত্রী সে নিয়ে কোনও সন্দেহ নেই৷ কিন্তু সে সবের ফাঁকে কবিতাতেও দারুণ ঝোঁক বিদ্যার৷ মাঝে মধ্যেই কবিতা লেখেন তিনি৷ কাজের চাপ কমানোর এ এক উপায় তাঁর কাছে৷ তবে চর্চা না থাকলে নেহাত শখের বশে কবিতা লেখা সম্ভব নয়৷ বিদ্যা সে সব লেখা অবশ্য তেমন প্রকাশ করেন না৷ সোশ্যাল মিডিয়াতেও তেমন তেমন অ্যাকটিভ নন তিনি৷ একমাত্র কাছের মানুষদেরই এসব লেখা দেখান বিদ্যা৷

বিদ্যা নিজের শখকে গোপনে রাখলেও সলমন কিন্তু খোলামেলা৷ বডি বিল্ডিংকে শখ না ভেবে প্রফেশনের মতোই সিরিয়াসলি নেন সলমন৷ তাঁর শখ হল ছবি আঁকা৷ছবি আঁকাকে গোপনে রাখার পক্ষপাতী নন সলমন৷ কেননা তাঁর আঁকা ছবি বেশ চড়া দামেই বিক্রি হয়৷ অর্জিত অর্থের পুরোটাই খরচ হয় ‘বিয়িং হিউম্যান’ সংস্থার জন্য৷ সামাজিক সেবামূলক নানা কাজের জন্য সলমনের এই সংস্থা৷ কিন্তু সে কাজ অবশ্য শখের জন্য করেন না সলমন৷

শাহরুখ যে গ্যাজেট ফ্রিক এ কথা প্রায় সবাই জানেন৷ তবে অবাক কাণ্ড গ্যাজেট নিয়ে শাহরুখ এতখানি পাগল যে ঘরের পুরো একটা তলাই ছেড়ে দিতে হয়েছে সে সব রাখার জন্য৷

সোনম কাপুরের যেমন শখ ফ্যাশনে, তেমনই রণবীর সিংয়ের শখ র‍্যাপিংয়ে।  বেশ  আজব শখ আছে দিয়া মির্জার৷ এক ছবির শুটিংয়ের শেট থেকে পটারিতে সেই যে উৎসাহী হলেন. আর পিছু ফেরা নেই৷

কঙ্গনা রানাওয়াতের ঝোঁক আবার রান্নায়৷ রান্না করতে এতটাই ভালোবাসেন কঙ্গনা যে একবার শুটিংয়ে উপস্থিত সবার জন্য রান্না করে নিয়ে শুটিং স্পটে হাজির হয়েছিলেন৷

অক্ষয়কুমারের শখ তাইকোন্ডুতে৷ শুটিং না থাকলেও এসব প্র্যাকটিশ করেন অক্ষয়৷ অভয় দেওলের আবার শখ ইন্টিরিয়র ডেকরেশনে৷

মোটমাট ব্যস্ত শিডিউলের মধ্যেও যতটুকু সময় পান সেলেবরা, নিজেদের প্যাশন থেকে দূরে থাকেন না৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

জীবে প্রেম কি আদৌ থাকছে? কথা বলবেন বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞ অর্ক সরকার I।