বাংলার ব্যাটসম্যানদের মধ্যে রান পেলেন একমাত্র মনোজ৷ শুক্রবার ইডেনে৷

বাংলা: ১৮৫ (৪৭.৫ ওভার)

রেলওয়েজ: ১৮৮/৫ (৩৮.২ ওভার)

৭০ বল বাকি থাকতেই ৫ উইকেটে ম্যাচে জয়ী রেলওয়েজ৷ 

 

কলকাতা:  রঞ্জি কোয়ার্টার ফাইনালে এই বাংলার কাছেই হারতে হয়েছিল৷ তাই রঞ্জির ওয়ান ডে ফর্ম্যাটে যেকোনও মূল্যেই হোক ম্যাচটা জিততে চেয়েছিলেন মহেশ রাওয়াতরা৷ শুক্রবার সেই কাজে যথেষ্ট সফল তারা৷ প্রায় একপেশেভাবে লক্ষ্মীদের হারিয়ে বিজয় হাজারে ট্রফির ফাইনালে উঠল রেলওয়েজ৷ ফাইনালে এবার তাদের খেলতে হবে রঞ্জি চ্যাম্পিয়ন কর্ণাটকের বিরুদ্ধে৷

ইডেনের পিচ নিয়ে বেশ কিছুদিন ধরেই অসন্তোষ চলছিল ব্যাটসম্যানদের৷ ফ্লাড লাইটে পরে ব্যাট করাটা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ছিল৷ পিচের ঘাস থেকে ভাল বাউন্স এবং মুভমেন্ট আদায় করে নিচ্ছিলেন পেসাররা৷ সেমিফাইনালের আগে কিন্তু তড়িঘড়ি পিচ থেকে ঘাস ছেঁটে ফেলা হয়৷ কিন্তু বাংলার ব্যাটসম্যানদের বেহাল দশাটা না বদলালেও, পরে ব্যাটিং করা দলের জন্য রান তাড়া করাটা কোনও সমস্যারই হয়নি এদিন৷ ভাল টসটাই জিতেছিলেন বাংলা অধিনায়ক লক্ষ্মীরতন শুক্লা৷ কিন্তু তা বিন্দুমাত্র কাজে লাগাতে পারেনি বাংলা ব্যাটসম্যানরা৷ একমাত্র মনোজ তিওয়ারি (৬১) বাদে রান পাননি কোনও ব্যাটসম্যানই৷ তাও মনোজের ইনিংসে ছিল মাত্র একটি বাউন্ডারি৷ ৬৬ রানে ৩ উইকেট পড়ে যাওয়ার পর বাংলার ব্যাটসম্যানরা আরোই বেশি যেন নিজেকে গুটিয়ে নিতে থাকে৷ রেলের ফ্রন্টলাইন পেসাররা উইকেট না পেলেও, রান আটকাতে সফল৷ যদিও বোলারদের কাজটা একার হাতেই করে দেন চান্দারপাল সাইনি৷ ২৫ রান দিয়ে ৩ উইকেট নেন তিনি৷ মাত্র ১৮৬ রান তাড়া করতে নেমে কোনও সমস্যায় পড়তে হয়নি অরিন্দমদের৷ দুই ওপেনার পৌনিকার (৮৩) এবং শিবাকান্ত শুক্লা (৫৬)-র শুরুটা দুর্দান্ত করায় সহজেই ম্যাচ জিতে যায় রেল৷ মাঝে পেসার বীরপ্রতাপ সিং পরপর তিনটি উইকেট নিলেও বিশেষ সুবিধা করে উঠতে পারেননি৷ ফলে ‘রেল রোকো’ অভিযানে চূড়ান্ত ফ্লপ লক্ষ্মী-দিন্দারা৷ উল্টে রেলের চাকাতেই কাটা পড়তে হল তাঁদের৷