ফাইল ছবি

রায়গঞ্জঃ রায়গঞ্জের বন্যা প্লাবিত এলাকায় পানীয় জলের হাহাকার শুরু হয়েছে। রবিবার সকালেও বন্যা পরিস্থিতির উন্নতির কোনও লক্ষ্মণ নেই। বরং তা অবনতির দিকে যাচ্ছে। কারণ কুলিক নদীর জলস্রোত ক্রমশ বাড়ছে। কুলিক, মহানন্দা, শ্রীমতি, নাগর, গামারি, পিতানু, টাঙ্গন নদী প্রতি বর্ষায় জেলার বিস্তৃর্ন এলাকা ভাসায়। এবছর জুলাইয়ের প্রথম সপ্তাহে কুলিক নদী ফুঁসে ওঠায় জেলার বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়েছে।

মহানন্দার জলে ইটাহারের একাংশ জলমগ্ন হয়েছে। ভারী বর্ষণের জেরে খোদ জেলা সদর রায়গঞ্জ শহরের একাধিক ওয়ার্ড জলমগ্ন গত কয়েকদিন ধরে জলমগ্ন রয়েছে। কুলিক নদী ভয়ঙ্কর রূপ ধারণ করায় রায়গঞ্জ শহর সংলগ্ন আব্দুলঘাটা, বাহিন, গৌরী গ্রাম পঞ্চায়েতের বিস্তীর্ণ এলাকা জল থইথই করছে।

চাকুলিয়া ও কালিয়াগঞ্জ ব্লকের একাংশও প্লাবিত হয়েছে। নদী তীরবর্তী গ্রামগুলিতে এক বুক সমান জল দাঁড়িয়ে গিয়েছে। গ্রামবাসীরা ঘরবাড়ি ছেড়ে বিভিন্ন ত্রাণ শিবিরে আশ্রয় নিয়েছেন। অনেকে বাঁধের উপর ত্রিপল টাঙিয়ে দিনযাপন করছেন। প্লাবিত এলাকায় পানীয় জল না মেলায় বাসিন্দারা ব্যাপক সমস্যায় পড়েছেন।

এসব এলাকার বেশিরভাগ নলকূপ জলের তলায় চলে গিয়েছে। অভিযোগ, গ্রাম পঞ্চায়েতের কর্তারা চাল, চিড়ে নিয়ে হাজির হলেও পানীয় জলের কোনও ব্যবস্থা করছেন না। পানীয় জল মিলছে না। ছোট ছোট বাচ্চারা জল চাইলে, সময়ে দিতে পারছেন না দূর্গতরা।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ