কলকাতা: আর যত্রতত্র রাস্তাজুড়ে বসা নয়, ফুটপাথ দখল করে হকারদের পসরা সাজিয়ে বসার দিন শেষ হতে চলেছে। শুক্রবার রাজ্য সরকার হাইকোর্টে জানিয়েছে, গত মাসেই রাজ্য মন্ত্রিসভায় সংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে ছাড়পত্র মিলেছে। শীঘ্রই এটি বিধানসভায় পেশ হবে।

রাজ্যের বক্তব্য শুনে শুক্রবার প্রধান বিচারপতি জ্যোতির্ময় ভট্টাচার্যের ডিভিশন বেঞ্চ তাই ফুটপাথ দখল করে ব্যবসা করা হকারদের নিয়ে জনস্বার্থ মামলাটি ৪ সপ্তাহের জন্য স্থগিত করেন।

শুধু কলকাতার রাস্তাগুলি নয়, রাজ্য জুড়েই ফুটপাথ দখল করে হকারদের ব্যবসা নিয়ে লোকজনের ফুটপাথে হাঁটার সমস্যা। সুপ্রিম কোর্ট কেন্দ্রীয় সরকারকে এই নিয়ে আইন করতে বলেছিল যাতে হকাররা নিয়ম মেনে বসতে পারেন। রাজ্যগুলিকেও সেই অনুযায়ী আইন করার কথা। কিন্তু কয়েক বছর কেটে গেলেও এই রাজ্যে আইন তৈরি না হওয়ায় জনস্বার্থ মামলা হয় কলকাতা হাইকোর্টে। এদিন রাজ্যের আডভোকেট জেনারেল কিশোর দত্ত জানান, বিধানসভায় পেশ হয়ে যাবে কিছুদিনের মধ্যে ওই হকার বসার খসড়া। তারপর সেটা আইনে পরিনত হবে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনাকালে বিনোদন দুনিয়ায় কী পরিবর্তন? জানাচ্ছেন, চলচ্চিত্র সমালোচক রত্নোত্তমা সেনগুপ্ত I