স্টাফ রিপোর্টার,বাঁকুড়া: এবার লকডাউন পরিস্থিতিতে ছাত্র ছাত্রীদের বরাদ্দকৃত চাল, ডাল,আলু কম দেওয়ার অভিযোগ উঠল শিক্ষকদের বিরুদ্ধে। বাঁকুড়ার বিষ্ণুপুরের যমুনাবাঁধ কলোনি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ঘটনা।

অভিভাবকদের অভিযোগ, যেখানে ছাত্র পিছু মাসে ২ কেজি করে চাল ও আলু এবং ২৫০ গ্রাম ডাল দেওয়ার কথা সেখানে এই স্কুলের শিক্ষকরা ১ কেজি ৬০০ গ্রাম চাল, ১ কেজি ৫০০ গ্রাম আলু ও ১৭০ গ্রাম ডাল দেওয়া দিচ্ছে। বিষয়টি স্কুল কর্তৃপক্ষকে জানালে ওই পরিমান বরাদ্দ আছে জানিয়েছেন বলে সংশ্লিষ্ট অভিভাবকরা দাবি করেন। আর এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে ঐ এলাকা। স্কুলের প্রধান শিক্ষককে ঘিরে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন অভিভাবকরা। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসে পুলিশ।

এই বিষয়ে প্রধান শিক্ষক বাসুদেব শিকারী বলেন, আমি নিজে হাতে চাল ওজন করিনি। দায়িত্বপ্রাপ্ত স্বনির্ভর গোষ্ঠীর সদস্যারা এই কাজ করেন বলে দাবি করেন তিনি। ওই কাজে যুক্ত স্বনির্ভর গৌষ্ঠির সদস্যা রীণা দে বলেন, স্কুলে দাঁড়িপাল্লা নেই। প্রধান শিক্ষক মগ হিসেবে যেভাবে দিতে বলেছেন তারা সেভাবেই দিয়েছেন বলে তিনি দাবি করেন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।