হাওড়া : ১৬ নং জাতীয় সড়কের ধূলাগড় টোলপ্লাজার আগে খাঁ পাড়ার কাছে উল্টে গেল গোরু বোঝাই একটি লরি। জানা গেছে, এই ঘটনায় এখনো পর্যন্ত ১ জন প্রাণ হারিয়েছে।

আশঙ্কাজনক অবস্থায় আরও বেশ কয়েকজনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। লরিতে থাকা বেশ কিছু গোরুর প্রাণ হারানো ও গুরুতর আহত হওয়ার খবর মিলেছে।

সূত্রের খবর, মঙ্গলবার দুপুর সাড়ে বারোটা নাগাদ ১৬ নং জাতীয় সড়কের কোলকাতামুখী লেন ধরে কোলাঘাটের দিক থেকে কোলকাতার দিকে যাচ্ছিল গোরুবোঝাই লরিটি। ধূলাগড় টোল প্লাজার কিছুটা আগে খাঁ পাড়ার কাছে হঠাৎ লরিটির সামনের চাকা ফেটে গেলে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশে থাকা ডিভাইডারে ধাক্কা মেরে উল্টে যায় গোরুবোঝাই লরিটি।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, লরিটিতে শতাধিক বাছুর ছিল। খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে আসে সাঁকরাইল ও পাঁচলা থানার পুলিশ। আসে দমকলের একটি ইঞ্জিন। আহতদের উদ্ধার করে হাওড়া জেলা হাসপাতালে পাঠানো হয়। আহত গোরুগুলির শুশ্রূষার কাজে স্থানীয় মানুষও হাত লাগান।

এই দুর্ঘটনার জেরে জাতীয় সড়কে ব্যাপক যানজটের সৃষ্টি হয়। ঘটনাস্থলে ক্রেন এনে দুর্ঘটনাগ্রস্ত লরিটিকে সরানো হলে ধীরে ধীরে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।

প্রায় একই ঘটনা ঘটে দিন তিনেক আগেও। নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ৪৮ নম্বর এশিয়ান হাইওয়ের উপর লরি উল্টে আহত হন ২জন। রবিবার ধূপগুড়ির দেওমালি মোড়ের এই ঘটনা ঘিরে এলাকায় উত্তেজনা ছড়ায়। পুলিশ এসে আহত দু’জনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠায়। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান করেছিল, কুয়াশার জেরে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টে দুর্ঘটনাটি ঘটেছিল।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে খবর, হাঁস-মুরগির খাবার নিয়ে ধূপগুড়ির দিক থেকে গয়েরকাটার দিকে যাচ্ছিল লরিটি। দেওমালি মোড়ের কাছে এসে একটি টোটোকে বাঁচাতে গিয়ে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার উপর উল্টে যায় সেটি। লরির চালক ও তাঁর সহযোগী আহত হন।

ধূপগুড়ি থানার পুলিশ তাঁদের ধূপগুড়ি গ্রামীণ হাসাপাতালে পাঠায়। তবে আহতদের চোট গুরুতর না হওয়ায় প্রাথমিক চিকিৎসার পর ছেড়ে দেওয়া হয়। দুর্ঘটনার পর কিছুক্ষণের জন্য যানজটের সৃষ্টি হয়। পুলিশ জানিয়েছিল, ঘন কুয়াশায় দৃশ্যমানতা কম থাকায় দূর থেকে টোটোটি নজরে আসেনি চালকের। কাছে এসে নজরে পড়ার পর পাশ কাটাতে গিয়েও পারেননি। সেই কারণে দুর্ঘটনা ঘটে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।