স্টাফ রিপোর্টার , কলকাতা : অর্ধেক মাস কেটে গেল দাম সেই এক জায়গাতেই রয়েছে পেট্রোলের। আসলে চাহিদা না থাকলে যা হয় , সেটাই হচ্ছে। করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব বাড়ায় বিশ্ববাজারে তেলের চাহিদা কমে গেছে ব্যাপকভাবে। মার্চের শেষে ১৮ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন অবস্থানে নেমে আসে তেলের দাম। এই পরিস্থিতিতে তেলের উৎপাদন কমিয়ে বাজারে তেলের দাম স্থিতিশীল রাখার চেষ্টা চলছে। ভারত তা আগেই চেষ্টা করেছিল, তবে তা জনগণের চিন্তার কারণ হয়ে উঠেছিল একসঙ্গে প্রচুর পরিমানে শুল্ক বাড়িয়ে দেওয়ায়। বিশ্ববাজারে তেলের দাম পড়তে থাকায় তা বেশি বাড়তে পারেনি। সূত্রের খবর ভারতের পরিকল্পনা এই সময়ে কম দামে তেল কিনে অর্থনীতিকে ধরে রেখার , কারণ কিছুটা হলেও পেট্রোল ডিজেল লাগছে। দাম ধরে রেখে মোদী সরকার কিছুটা ঠেকনা দিতে চাইছে নুইয়ে পড়া অর্থনীতিকে।

এমনটাই জানা যাচ্ছে কলকাতার বাজার সূত্রে। আজ বুধবার ১৫ এপ্রিল কলকাতায় পেট্রোলের দাম ৭৩.৩০ টাকা। পশ্চিমবঙ্গের পড়শি তিন রাজ্যে পেট্রোলের দামও স্বস্তিজনক। অসমে পেট্রোলের দাম ৭১.৬১ টাকা, ঝাড়খণ্ডে ৬৮.৭০ ও বিহারে দাম ৭৪.২৫ টাকা প্রতি লিটার। ছত্তিশগড়ে দাম ৭০.৪০ টাকা। এক ধাক্কায় ডিজেলের দাম এক টাকা বেড়ে যায়। এতদিন ৬৪.৬২ থাকার পর ডিজেলের দাম আজ ৬৫.৬২ টাকা হয়েছে। শুক্রবারের দাম আপাত স্বস্তির দিচ্ছে। দাম রয়েছে ৬৫.৬২ টাকাই। অসমে ডিজেলের দাম ৬৫.০৭, বিহারে ৬৬.৮২, ছত্তিশগড়ে ৬৭.৫৬, ঝাড়খণ্ডে ৬৩.৫৩ টাকা লিটার প্রতি ডিজেলের দাম। দিল্লিতে ডিজেলের দাম ৬২.২৯ টাকা, যা বহুদিন ধরেই অপরিবর্তিত, পেট্রোলের দাম থমকে ৬৯.৫৯ টাকাতেই।

সোমবার দীর্ঘ দিন একটানা পড়ার পরে বিশ্ব বাজারে ফের মাথা তুলেছে তেলের দাম। সোমবার মার্কিন বেঞ্চমার্ক অনুযায়ী অপরিশোধিত তেলের দাম ৩.৭ শতাংশ বেড়ে দাঁড়ায় ব্যারেল প্রতি ২৩.৬২ ডলার। এদিকে এশিয়ান বাজারে সেই দাম ৩.১ শতাংশ বেড়ে দাঁড়ায় ব্যারেল প্রতি ৩২.৪৫ ডলারে। মূলত সৌদির নেতৃত্বে ওপেক ও রাশিয়ার নেতৃত্বে ওপেক প্লাসের ঔতিহাসিক চুক্তির জেরেই এই দামের উত্থান। দৈনিক ৯৭ লাখ ব্যারেল তেল উৎপাদন কমানোর ব্যাপারে একমত হয়েছে শীর্ষ তেল উৎপাদক ও রপ্তানিকারকদের ওপেক প্লাস ও অন্য তেল উৎপাদক মিত্রদেশগুলো। বিশ্বের মোট উৎপাদনের ১০ শতাংশ কমে যাবে এর জেরে। এদিকে জানা যাচ্ছে তেলের দাম ধরে রাখতে ওপেক প্লাস দেশগুলো প্রতিদিন ৯৭ লাখ ব্যারেল তেল উৎপাদন কমাবে। ব্রাজিল ও কানাডা কমাবে আরও ৩৭ লাখ ব্যারেল। কিন্তু জি-২০-এর অন্য দেশগুলো এখন কী পরিমাণ তেল উৎপাদন কমাবে, তা জানানো হয়নি।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ