দেরাদুন: কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলির বিরুদ্ধে স্বেচ্ছায় মানহানির মামলা প্রত্যাহার করে নিলেন হিমাচলপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী বীরভদ্র সিং। ‘অবমাননাকর অভিযোগ’ করার অভিযোগে গত জানুয়ারিতে অরুণ জেটলির বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করেন বীরভদ্র। জেটলি ছাড়াও অভিযুক্তদের তালিকায় রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী প্রেমকুমার ধুমল এবং তাঁর ছেলে অনুরাগ ঠাকুরেরও নাম আছে। এরমধ্যে জেটলির বিরুদ্ধে মামলা প্রত্যাহার করে নিলেন হিমাচলের মুখ্যমন্ত্রী।

এ প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বীরভদ্র বলেন, ‘জেটলি বর্তমানে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী। রাজ্যের উন্নয়নমূলক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আগামিদিনে রাজ্য সরকারের সঙ্গে কেন্দ্রের আলোচনা করতে হবে। একারণেই মানহানি মামলা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’ দু-একদিন আগে জেটলির বিরুদ্ধে মামলা প্রত্যাহার করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

এদিকে মামলা প্রত্যাহার প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে বিজেপি মুখপাত্র গনেশ দত্ত বলেন, ‘জেটলির বিরুদ্ধে ভুয়ো মামলা করেছিলেন বীরভদ্র সিং। মামলা প্রত্যাহারের ঘটনা এটাই আরও একবার প্রমাণ করল।’

 

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।