সিওলঃ  আবার শক্তি পরীক্ষা উত্তর কোরিয়ার। জাপান সাগরের দিকে অত্যাধুনিক দুটি মিসাইল নিক্ষেপ করল পিয়ংইয়ং। এমনটাই দাবি করেছে দক্ষিণ কোরিয়ার জয়েন্ট চিফস অব স্টাফ । তবে মিসাইলগুলি কতটা শক্তিশালী তা এখনও জানা যায়নি। তবে মনে করা হচ্ছে সেগুলি স্বল্পমাত্রার।

শনিবার স্থানীয় সময় সকাল পৌনে সাতটা ও ৭টা ২ মিনিটে একের পর এক ক্ষেপণাস্ত্র ছোঁড়া হয়েছে বলে দক্ষিণ কোরিয়ার তরফে জানানো হয়েছে। দক্ষিণের দাবি সঠিক হলে এই নিয়ে গত দুই মাসেই পিয়ংইয়ং ৭ দফা ক্ষেপণাস্ত্র ছুঁড়ল। এভাবে একের পর এক মিসাইল ছোঁড়ার ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। শুধু তাই নয়, উত্তর কোরিয়ার এহেন উস্কানিমূলক পদক্ষেপে বিশ্বে নতুন করে অস্থিরতা তৈরি হবে বলে মনে করছে সামরিক এক্সপার্টরা।

মনে করা হচ্ছে, আমেরিকা এবং দক্ষিণ কোরিয়ার যৌথ সামরিক মহড়ার প্রতিক্রিয়া হিসেবে পিয়ংইয়ং এই ক্ষেপণাস্ত্রগুলো ছোঁড়া হয়েছে। অন্যদিকে, মহড়া শেষে পিয়ংইয়ংয়ের ফের স্বল্প পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র ছোঁড়ায় শনিবার ‘গভীর উদ্বেগ’ প্রকাশ করেছে সিউল। দক্ষিণের সামরিক আধিকারিকরা বলছেন, ক্ষেপণাস্ত্র দুটি উত্তর কোরিয়ার হ্যামগিয়ং প্রদেশের পূর্বাঞ্চলীয় শহর সোন্দক থেকে ছোঁড়া হয়। এগুলো ৯৭ কিলোমিটার পর্যন্ত উচ্চতায় উঠে প্রায় ৩৮০ কিলোমিটার দূর পাড়ি দিয়ে জাপান সাগরে পড়ে।

এরপরেই দক্ষিণের জয়েন্ট চিফস অব স্টাফের তরফে জানানো হয়েছে যে, “আরও কিছু ছোঁড়া হয় কিনা আমাদের সেনাবাহিনী তা পর্যবেক্ষণ করছে।” জাপানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী তাকাশি আইওয়াইয়া বলেছেন, উত্তরের ক্ষেপণাস্ত্র দুটি জাপানের জলসীমায় না পড়লেও এই ঘটনা রাষ্ট্রসংঘের রেজুলেশনের সুস্পষ্ট লংঘন।