কলকাতা: করোনা আতঙ্কে চলছে লকডাউন৷ ফলে বন্ধ রয়েছে চা বাগানও৷ লকডাউনের আগেই চা বাগান খোলা নিয়ে জল্পনা শুরু হয়৷ কিন্তু মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন, এখনই চা বাগান খুলছে না৷ সোমবার নবান্নে সাংবাদিক সম্মেলন করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷ সেখানে করোনা নিয়ে তিনি আপডেট দিতে গিয়ে বলেন, মানুষ খুব কষ্টের মধ্যে আছে৷ কতদিন এরকম থাকতে হবে জানি না৷ এছাড়া এদিন মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, কালিম্পঙে একটি পরিবারের ১১ জন করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হন। তার মধ্যে ১ জন করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গিয়েছেন। এরা চেন্নাই থেকে এসেছিলেন।

অন্যদিকে লকডাউনে চা বাগান খোলা রাখায় সমালোচনার মুখে পড়তে হয়েছিল রাজ্য সরকারকে৷ শেষ পর্যন্ত উত্তরবঙ্গের সব চা বাগানে কাজ বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেয় শ্রমিক সংগঠনগুলির জয়েন্ট ফোরাম। সেই সময় সিপিএমের তরফে জীবেশ সরকার দার্জিলিংয়ের জেলাশাসককে চা বাগান বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়ার আর্জি জানিয়েছিলেন।

সোমবার নবান্নে সাংবদিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, এদিন বেলা ১২টা পর্যন্ত রাজ্যে ৬১ জন করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। এর মধ্যে ৫৫টি আক্রান্ত হওয়ার ঘটনা শুধু সাতটি পরিবারের মধ্যেই। ৯৯% আক্রান্তের সঙ্গেই বিদেশ যোগ ছিল। রাজ্যবাসীকে আশ্বস্ত করে মুখ্যমমন্ত্রীর আরও ঘোষণা, ‘চিন্তার কারণ নেই। রোগ নিরাময়ের পথ খুঁজছে রাজ্য। করোনা আক্রান্ত ১৩ জন সুস্থ হয়ে ফিরেছেন।

কালিম্পঙে আক্রান্ত ১০ জনের মধ্যে ৪ জনের আজ নেগেটিভ রিপোর্ট এসেছে। এটা ভালো খবর।’ চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের কাজের দরাজ প্রশংসা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। এই প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘বেলেঘাটা আইডি হাসপাতাল যা কাজ করছে তার তুলনা হয় না। এসএসকেএমও খুব ভালো কাজ করছে। এখনও আইডিতে ১৭ জন ভরতি রয়েছেন। তার মধ্যে ১২ জনের লক্ষণ ভালো। চিকিৎসকরা অনেক চেষ্টা করছেন।’