কলকাতা: চারু মার্কেট থানা এলাকায় একটি আবাসন থেকে দম্পতির ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার করে পুলিশ৷ প্রাথমিকভাবে আত্মহত্যা বলে অনুমান পুলিশের৷ দম্পতির দেহ ময়নাতদন্তে পাঠানো হয়েছে৷ লেক গার্ডেন্স উড়ালপুলের পাশে কেএমডিএ আবাসনের পাশেই ভাড়া থাকতেন অরিজিৎ দত্ত (৩২)এবং তার স্ত্রী সম্পূর্ণা দত্ত(৩০)৷

বৃহস্পতিবার বিশ্বকর্মা পুজোর দিন অনেক বেলা পর্যন্ত ওই দম্পতির সাড়া না পেয়ে, প্রতিবেশিরা খোঁজ নেন৷ অন্যদিকে অরিজিৎ এর শ্বশুর-শাশুড়ি দফায় দফায় ফোন করেও কারও সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেনি৷ বিষয়টি অরিজিৎ এর বাবাকে জানানো হয়৷ তারাও যোগাযোগ করার চেষ্টা করেও কোনও লাভ হয়নি৷

অবশেষে বাড়িওয়ালাকে বলা হয়৷ বাড়িওয়ালা ও প্রতিবেশিরা গিয়ে দেখেন দরজা বন্ধ৷ জানলা দিয়ে দেখেন একজন মেঝেতে পড়ে আছে, আর অপরজন ঝুলন্ত অবস্থায় রয়েছে৷ খবর দেওয়া হয় পুলিশকে৷ খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসে চারু মার্কেট থানার পুলিশ৷ এবং কলকাতা পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের কর্তারা৷

পুলিশ ফ্লাটের দরজা ভেঙ্গে ভিতরে ঢুকে দেখেন, অরিজিত্‍‌ ও সম্পূর্ণার দেহ সেখানে পড়ে আছে৷ দেহ দুটি উদ্ধার করে পুলিশ ময়নাতদন্তে পাঠিছে৷ পুলিশের প্রাথমিক অনুমান ওই দম্পতি আত্মহত্যা করেছে৷ মানসিক অবসাদ থেকেই এই ঘটনা ঘটেছে বলে মনে করছে পুলিশ৷

তাছাড়া ৬ মাস আগে ওই দম্পতির ৪ মাসের সন্তানের মৃত্যু, তারপর থেকেই তারা অবসাদে ভুগছিলেন৷ পাশাপাশি জানা যাচ্ছে অরিজিত্‍ নিজের গাড়ি চালাতেন৷ করোনা পরিস্থিতিতে গাড়ির ব্যবসা ভালো যাচ্ছিল না৷ গাড়ি লোন নিয়েও চিন্তিত ছিলেন দম্পতি।

কয়েক মাস ধরে বাড়িভাড়াও দিতে পারছিলেন না৷ এখন এই সব বিষয়গুলো খতিয়ে দেখবে তদন্তকারী অফিসাররা৷ এর আগেও শহরে এক জুনিয়র চিকিৎসকের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার করে পুলিশ৷ ঘটনাটি ঘটেছিল চিত্তরঞ্জন ন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজের হস্টেলে৷

মানসিক অবসাদে আত্মঘাতী বলে প্রাথমিক অনুমান পুলশের৷ মৃত্যুর সঠিক কারণ জানতে তদন্ত শুরু করে বেনিয়াপুকুর থানার পুলিশ৷ পুলিশ সূত্রে খবর, চিত্তরঞ্জন ন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজের হস্টেল থেকে ঝুলন্ত অবস্থায় এক জুনিয়র চিকিৎসক উদ্ধার করা হয়৷

অচৈতন্য অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে গেলে,চিকিৎসকরা তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন৷ মৃতের নাম দিব্যেন্দু সর্দার৷ সে ফাইনাল বর্ষের ছাত্র৷ প্রাথমিক তদন্তে অনুমান,মৃত জুনিয়র চিকিৎসক অবসাদে ভুগছিলেন৷ কেন অবসাদে ভুগছিলেন,তা খতিয়ে দেখছে তদন্তকারী অফিসাররা৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।