স্টাফ রিপোর্টার, বাসন্তী: করোনা আবহের মধ্যেই আবারও প্রকাশ্যে শাসকদলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব। তৃণমূল কর্মী খুনের ঘটনায় এবার পঞ্চায়েত প্রধানকে গ্রেফতার করল বাসন্তী থানার পুলিশ। ওই পঞ্চায়েত প্রধান ছাড়াও আরও দুই যুব তৃণমূল নেতা গ্রেফতার হয়েছে।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, কয়েকদিন আগে মসজিদে নামাজ পড়তে যাওয়ার সময় দক্ষিণ ২৪ পরগনার বাসন্তীর ফুলমালঞ্চ ১০ নম্বর এলাকার বাসিন্দা আমির আলি সরদার নামে এক ব্যক্তিকে গুলি করে খুন করে কয়েকজন দুষ্কৃতী। এলাকায় তৃণমূল কর্মী হিসেবে পরিচিত ওই ব্যক্তি খুনের ঘটনায় নাম জড়ায় ফুলমালঞ্চ গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান তথা যুব তৃণমূল নেতা ইউসুফ মোল্লার।

নিহতের পরিবার ইউসুফ মোল্লার বিরুদ্ধে বাসন্তী থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। সেইমতো তদন্ত শুরু করে পুলিশ। তদন্তে নেমে মঙ্গলবার রাতে বাসন্তী থানার ওসি বিশ্বজিৎ ঘোষ গোপন অভিযান চালিয়ে ইউসুফ মোল্লাকে তার বাড়ি থেকে গ্রেফতার করে।

পাশাপাশি ওই খুনের ঘটনায় জড়িত সন্দেহে পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য সোনাখালি এলাকার জালাল মোল্লা, রাজেশ রোশন মোল্লা (বাপি) নামে আরও দুই যুব তৃণমূল নেতাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তিনজনকেই গোলমালের আশঙ্কায় ভাঙড় থানায় রাখা হয়েছে। বুধবারই তাঁদের আদালতে হাজির করানো হয়।

পুলিশ সূত্রে খবর, ধৃতদের বিরুদ্ধে ৩০২,১৪৭ এবং ৪৯ নম্বর ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে। বাসন্তী ব্লকের তৃণমূল নেতা রাজা গাজি জানিয়েছেন, ইউসুফ মোল্লার নামে বহু অভিযোগ জমা পড়েছিল। পুলিশ নিরপেক্ষ তদন্ত করায় তাঁকে গ্রেফতার করেছে।

তাঁর আরও অভিযোগ, একদা সিপিএম করা ইউসুফ এলাকায় দীর্ঘদিন ধরেই দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। আমরাও দলের কাছে বহুবার নালিশ করেছি ইউসুফের বিরুদ্ধে। তৃণমূলকর্মী খুনের ঘটনায় পঞ্চায়েত প্রধান গ্রেফতার হওয়ার ঘটনায় দক্ষিণ ২৪ পরগণার রাজনৈতিক মহলে শোরগোল পড়ে গিয়েছে।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ